জুলফিকার » জুলফিকার

পাতা তৈরিঅক্টোবর ১৩, ২০২০; ০৭:০০
সম্পাদনাঅক্টোবর ১৩, ২০২০, ১৪:১০
দৃষ্টিপাত
বিষয়াবলী
১৩৩৯ সালের ভাদ্র মাসে ‘জুলফিকার’ প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। প্রকাশক: বি. দোজা, এম্পায়ার বুক হাউস, ১৫, কলেজ স্কোয়ার, কলিকাতা। ১৬২ নং বহুবাজার ষ্ট্রিট, কলিকাতা ‘শ্রীরাম প্রেস’ হইতে শ্রীদেবেন্দ্রনাথ বাচস্পতি দ্বারা মুদ্রিত। ৫৬ পৃষ্ঠা; মূল্য—এক টাকা।
‘খুশি লয় খোশরোজের’ ১৩৮৮ মাঘ-চৈত্রের, ‘তোমারি মহিমা সব বিশ্বপালক করতার’ ১৩৩৯ বৈশাখের ‘দেখে যা রে দুলা-সাজে’ ও ‘ইসলামের ঐ সওদা লয়’ ১৩৩৮ কার্তিক-পৌষের জয়তীতে প্রকাশিত হয়।
‘আয় মরু-পারের হাওয়া’ ১৩৩৯ আশ্বিনের মাসিক মোহাম্মদীতে বাহির হয়।
‘খুশি লয়ে খোশরোজের’ এবং ‘আয় মরু-পারের হাওয়া’ মরহুম মোহাম্মদ কাসেম মল্লিক কলিকাতায় হিজ মাষ্টারস্‌ ভয়েসে রেকর্ড করেন।
এই গীতিগ্রন্থের ১, ৫, ৬, ৭, ৯, ১১, ১২, ১৮, ১৯ সংখ্যক গজলগুলি মরহুম আব্বাসউদ্দীন আহমদ রেকর্ড করেন। কিন্তু রেকর্ডে ‘মোহর্‌রমের চাঁদ এল ঐ’ গজলটির তৃতীয় কলি, ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে’ গজলটির ৫ম ও ৭ম কলি এবং ‘সাহারাতে ফুটল রে রঙিন গুলে-লালা’ গজলটির ৪র্থ কলি বিধৃত হয় নাই। ‘আল্লাহ আমার প্রভূ আমার নাহি ভয়’ গজলটির শেষ কলি রেকর্ডভুক্ত হইয়াছে এভাবে—
আরব মেসের চীন হিন্দ কুল-মুসলিমের জাহান মোর ভাই।
কেহ নয় উচ্চ কেন নীচ, মানুষ সমান সবাই।
এক জাতি এক দিল এক প্রাণ আমির ফকিরে ভেদ নাই।
এক তক্‌বীরে জেগে উঠি, আমার হবেই হবে জয়।।
—[আব্বাসউদ্দীনের গান : ২য় সংস্করণ, ১৪ পৃ:]
গ্রন্থাবলী
মতামত জানান