web analytics

শিশুকিশোর > দিলুর গল্প

দিলুর গল্প রাহাত খানের শিশুতোষ গল্পের বই। দিলুর মজার মজার কাণ্ডকারখানা দিয়ে সাজানো হয়েছে বইটি।
তোমরা কি কেউ দিলুকে চেন? না চিনলেও ক্ষতি নেই কারণ ওর দেখা পেয়ে যাবে যদি রাহাত খানের ‘দিলুর গল্প’ বইটি পড়। দিলু আর তার বন্ধুদের কাজ-কারবার দেখে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাবে তোমার। একবার যেমন দিলুর মনে হল ইতিহাস আর ভূগোলের মধ্যে দারুণ মিল। অতএব সে ভূগোল আর ইতিহাস মিলিয়ে এক প্রশ্নের এমন এক উত্তর দিল যে আরেকটু হলে এ জন্য ক্লাস সেভেনে দুবার থেকে যেতে হত তাকে!
১০ টি অধ্যায়ে ১০ টি মজার কাহিনী নিয়ে দিলুর গল্প। চল এক এক করে সংক্ষেপে জেনে নেই সেগুলো সম্পর্কে।
এক: দিলুদের পাড়ায় দিলুরা তখন সবে নতুন এসেছে। পাড়ার অন্য ছেলেরা তাকে তখনও চেনে না। হঠাৎ একদিন এক মিটিং দিলু দাবি করে বসল, সে নাকি এক মস্ত বাঘ পোষে! শুনে তো সবাই থ। গুলপট্টি নাকি সত্যি? এই বাঘ পোষার গল্পটা জানতে এক নাম্বার গল্পটা পড়তে হবে।
দুই: দিলু সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। এলাকায় এসে নতুন স্কুলে ভর্তি হয়েছে, এর মাঝেই পর পর ২ দিন সে স্কুলে এল না। এমনিতেই স্কুলে না এলে জরিমানা দিতে হয়। কিন্তু অবাক কান্ড! কী এমন এক দরখাস্ত সে লিখল, তা সোজা প্রধান শিক্ষক-এর কাছে হস্তান্তর করা হল। তারপর কি তাকে শাস্তি পেতে হয়েছিল নাকি সেই দরখাস্ত পড়ে শিক্ষক মশাই নিজেই হেসেছিল?
তিন: পরীক্ষায় ফেল করায় দিলুকে আর উপরের ক্লাসে উত্তীর্ণ করা হল না। কিন্তু কথায় আছে না, বুদ্ধি থাকলে উপায় হয়। তাই তো সে একটা পড়াশুনার রুটিন বানিয়ে ফেলল। কিন্তু রুটিনটা ছিল তার নিজের মতোই অদ্ভুত। না পড়লে জানবে কীভাবে সেই রুটিনটি কেমন অদ্ভুত ছিল?
চার: দিলুর বন্ধু গজা। সেই গজার বড় ভাই কে শাস্তি দিতে দিলু এনেছিল ডাল কুত্তা, বানর সেনা আর অটোমেটিক পিস্তল। এখন সেই শাস্তি পেয়ে যে তার কী দশাটাই না হয়েছিল, তা একবার পড়ে নিজেই কল্পনা করে নিও।
পাঁচ: অবাক কান্ড। গজাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। গজাকে খোঁজার জন্য সবাই একটা অনুসন্ধান দলও গঠন করে ফেলল। নাম দেওয়া হল– দা গজা অনুসন্ধান কমিটি। আরে আরে এ কি! কমিটির সব্বাই দেখি ন্যাড়া মাথা, টাক্কু বেল! কী কমেটিরে বাবা! দিলুর চাপাচাপিতে দলের সব সদস্যের মাথা ন্যাড়া করে ফেলা হল। আবার এদিকে অনেক গোয়েন্দা বই পড়ুয়া দিলু তো একাই একশ। সব চিন্তা ভাবনা করে পরের দিন যখন গজাকে উদ্ধার করতে দিলু ও তার বন্ধুরা প্রস্তুত, ঠিক সে সময়ে গজার একটা চিঠি দিলুর হাতে এসে পৌঁছল। চিঠি পড়ে দিলুর তো মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেল। কী ছিল সেই চিঠিতে তা জানতে খুব ইচ্ছে হচ্ছে তাই তো? তাহলে চল, দিলুর সঙ্গে তুমিও একবার গোয়েন্দাগিরি করে এস।
ছয়: পাড়ার খুব শিক্ষিত শাহজাহান ভাই। ইংরেজি ভাষা, বাংলা ভাষার শব্দ না মিশিয়ে তো তিনি কথাই বলতে পারেন না। শুধু কি তাই? উনার সব কিছুতেই রয়েছে নিজস্বতা; মানে কারও সঙ্গে মিল নেই। এই যেমন ধর, ওনার একটা গালি-ইলিম্পু, ডিলিম্পু, য়েস্কট টস্কট! আরও কত অদ্ভুত বাক্য যে উনি বলতে পারেন, তা শুধু উনিই জানেন! এই শাহজাহান ভাইকে সবাই ধরল একটা নাটক বানানোর জন্য। অদ্ভুত এক নাটক। পুরোটা অধ্যায় পরে চল জানা যাক কেমন ছিল সেই নাটকটা।
সাত: বড় ভাই-এর সঙ্গে বেয়াদবি! তাও আবার শাহজাহান ভাইয়ের সঙ্গে। শাস্তি তো পেতেই হবে, সে শাস্তিও আবার যে সে শাস্তি নয়। স্বয়ং শাহজাহান ভাইয়ের মৌলিক শাস্তি। নাহ, শাস্তিটার কথা বলা যাবে না, তাহলে তো মজাটাই নষ্ট হয়ে যাবে!
আট: একবার সবাই মিলে পিকনিকে যাবে বলে ঠিক করল। সবকিছু ঠিকঠাক, এই সময় এসে গোল বাধাল পাড়ার জুয়েল ভাই। কে এই জুয়েল ভাই? এই গল্পে কি সম্পর্ক তার? কেন তাকে পিকনিকে নিতে কেউ রাজি হচ্ছিল না? জানতে চাও, তাহলে পড়ে ফেল না দিলুকে নিয়ে জুয়েল ভাইয়ের মিষ্টি খাওয়ার গল্পটি।
নয়: সবাই মিলে পিকনিকে গেল। হঠাৎ শাহজাহান ভাই বললেন যে তাদের মধ্য থেকে একজন লিডার নির্বাচন করা দরকার এবং তিনি নিজেই সেটা করবেন। ভোটে নির্বাচন না; উদ্ভট সত্য গল্প বলে শোনাতে হবে। যার গল্প ভালো হবে তাকেই নির্বাচন করা হবে, কিন্তু সেই গল্প বলে যদি গল্প কথককে শাস্তি পেতে হয়? তাও আবার মৌলিক শাস্তি, সেটা কারই বা ভালো লাগবে বল? দেখি আমাদের প্রতীক কী গল্প বলল। আরে বাপস, কী নাই গল্পে? হাজি মোহাম্মদ মহসিন, যাদব চক্রবর্তী, রাজা সলোমন, ফজল মাহমুদ, শিল্পী জয়নুল আবেদীন, শেরে বাংলা এ.কে, ফজলুল হক, হানিফ মোহাম্মদ, হাটন, উইলিয়াম শেক্সপিয়ার কিংবা হাতেম তাই! মনে হচ্ছিল — প্রতীক বুঝি এইবার গেল। আমি আর বলব না; গল্পটা জানার যখন এতই ইচ্ছে হচ্ছে তোমার তখন না পড়ে যাবে কোথায় শুনি?
দশ: নাহ, এটা নিয়ে কিছু লিখব না। লিখলেই তো শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু আমি তো শেষ করতে চাই না, আমি চাই তুমি নিজে পড়ে যেনে নাও আর অনেক অনেক মজা পাও।
Read online or Download this book

© বাংলাদেশ কপিরাইট আইন, ২০০০ অনুসারে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

এই বইটির স্বত্বাধিকার লেখক বা লেখক নির্ধারিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের, অর্থাৎ বইটি পাবলিক ডোমেইনের আওতাভূক্ত নয়৷ কেননা, যে সকল বইয়ের উৎস দেশ বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ কপিরাইট আইন, ২০০০ অনুসারে, লেখকের মৃত্যুর ষাট বছর পর স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত অথবা বেনামে বা ছদ্মনামে ও মরণোত্তর প্রকাশিত রচনা বা গ্রন্থসমূহ প্রথম প্রকাশের ষাট বছর পর পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়৷ অর্থাৎ, ১ জানুয়ারি, 2019 সাল হতে 1959 সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে। এবং 1959 সালের পরে প্রকাশিত বা মৃত লেখকের বইসমূহ পাবলিক ডোমেইনের আওতাভূক্ত হবে না৷

আইনি সতর্কতা

প্রকাশক এবং স্বত্বাধিকারীর লিখিত অনুমতি ছাড়া এই বইয়ের কোনও অংশেরই কোনওরূপ পুনরুৎপাদন বা প্রতিলিপি করা যাবে না, কোন যান্ত্রিক উপায়ের (গ্রাফিক, ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনও মাধ্যম, যেমন ফটোকপি, টেপ বা পুনরুদ্ধারের সুযোগ সম্বলিত তথ্য-সঞ্চয় করে রাখার কোনও পদ্ধতি) মাধ্যমে প্রতিলিপি করা যাবে না বা কোন ডিস্ক, টেপ, পারফোরেটেড মিডিয়া বা কোনও তথ্য সংরক্ষণের যান্ত্রিক পদ্ধতিতে পুনরুৎপাদন করা যাবে না। এই শর্ত লঙ্ঘিত হলে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

Leave a Reply

WhatsApp chat