সিরিজ: প্রোফেসর শঙ্কু
প্রথম প্রকাশ: ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দ
প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা
ভাষা: বাংলা
দেশ: ভারত
স্বত্বাধিকারী: প্রকাশক
ইবুক ফরমেট: ইপাব, মুবি, পিডিএফ
প্রোফেসর শঙ্কু গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৫ সালে। প্রকাশক নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা। এই গ্রন্থে সঙ্কলিত হয় ব্যোমযাত্রীর ডায়রি, প্রোফেসর শঙ্কু ও ঈজিপ্সীয় আতঙ্ক, প্রোফেসর শঙ্কু ও হাড়, প্রোফেসর শঙ্কু ও ম্যাকাও, প্রোফেসর শঙ্কু ও আশ্চর্য পুতুল, প্রোফেসর শঙ্কু ও গোলক-রহস্য, প্রোফেসর শঙ্কু ও চী-চিং নামক সাতটি গল্প। ১৯৬৭ সালে প্রোফেসর শঙ্কুর দ্বিতীয় সংস্করণে যুক্ত হয় প্রোফেসর শঙ্কু ও খোকা ও প্রোফেসর শঙ্কু ও ভূত গল্পদুটি।
প্রোফেসর শঙ্কু গ্রন্থের গল্পগুলি সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্যাদি নিচে দেওয়া হল:
প্রথম গল্প
শিরোনাম: ব্যোমযাত্রীর ডায়রি।
প্রথম প্রকাশ: সন্দেশ পত্রিকায়, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর ১৯৬১।
কাহিনী: প্রোফেসর শঙ্কু তাঁর চাকর প্রহ্লাদ, পোষা বেড়াল নিউটন ও আবিষ্কৃত রোবট বিধুশেখরকে নিয়ে মঙ্গল গ্রহে যাত্রা করেন। সেখানে একদল স্থানীয় জীবের তাড়া খেয়ে তাঁরা চলে আসেন টাফা গ্রহে এবং সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
দ্বিতীয় গল্প
শিরোনাম: প্রোফেসর শঙ্কু ও হাড়।
প্রথম প্রকাশ: সন্দেশ, জানুয়ারি ১৯৬৪।
কাহিনী: গিরিডিতে সদ্য-আগত এক সাধুবাবার অলৌকিক উপায়ে মৃতদেহে প্রাণ সঞ্চারের ক্ষমতা নিয়ে গবেষণা করতে গেলে শঙ্কুর উপর চটে তাঁর কাজ ভণ্ডুল করে চলে যান সাধুবাবা। তিন বছর পর নীলগিরির জঙ্গলে গবেষণাকালে সাধুবাবা শঙ্কুকে হত্যা করার জন্য একটি ব্রন্টোসরাসের কঙ্কালে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেন; কিন্তু ব্রন্টোসরাসটির আঘাতে নিজেই মারা যান।
তৃতীয় গল্প
শিরোনাম: প্রোফেসর শঙ্কু ও ঈজিপ্সীয় আতঙ্ক।
প্রথম প্রকাশ: সন্দেশ, মে ১৯৬৪।
কাহিনী: ইংরেজ প্রত্নতত্ত্ববিদ জেমস সামারটন মিশরে শঙ্কুকে একটি মমি উপহার দেন। নিজেকে মমিকৃত ব্যক্তির উত্তরসূরি দাবি করে একটি লোক গিরিডি অবধি এসে শঙ্কুকে আক্রমণ করে; কিন্তু নিউটনের আঁচড়ে রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু হয়। সামারটনের চিঠির মাধ্যমে শঙ্কু জানতে পারেন, কয়েক হাজার বছর আগে মমিকৃত ব্যক্তিটিও একইরকম রহস্যজনকভাবে বিড়ালের আঁচড়ে মারা গিয়েছিল।
চতুর্থ গল্প
শিরোনাম: প্রোফেসর শঙ্কু ও ম্যাকাও।
প্রথম প্রকাশ: সন্দেশ, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ১৯৬৪।
কাহিনী: চোর-বিজ্ঞানী গজানন তরফদার একটি অতিবুদ্ধিমান প্রশিক্ষিত ম্যাকাওয়ের সাহায্যে শঙ্কুর অদৃশ্য হবার ওষুধের ফরমুলা চুরি করেন এবং শঙ্কুর ল্যাবরেটরিতে ডাকাতি করার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু পাখিটি নিজের প্রাণসংশয়ের আভাস পেলে তরফদারকে শঙ্কুর কাছে ধরিয়ে দিয়ে সে শঙ্কুর বাড়িতেই থেকে যায়।
পঞ্চম গল্প
শিরোনাম: প্রোফেসর শঙ্কু ও আশ্চর্য পুতুল
প্রথম প্রকাশ: সন্দেশ, মার্চ ১৯৬৫।
কাহিনী: প্রোফেসর শঙ্কু এ গল্পে এক লোকের হাতে পড়েন যে তাকে পুতুল বানিয়ে দেয়। পরে এক বন্ধুর সাহায্যে তিনি মুক্তি পান।
ষষ্ঠ গল্প
শিরোনাম: প্রোফেসর শঙ্কু ও গোলক-রহস্য।
প্রথম প্রকাশ: সন্দেশ, মে ১৯৬৫।
কাহিনী: অবিনাশবাবুর কুড়িয়ে পাওয়া আশ্চর্য গোলকটির মধ্যে কি এমন আছে, যাতে গোলকটির নিকটস্থ সকল প্রাণী মারা পড়ছে – এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে শঙ্কু জানতে পারেন, গোলকটি আসলে সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ টেরাটম্‌; এই গ্রহের উন্নত জীবেরা পৃথিবীর সকল জীবকে হত্যা করতে চাইছে। শঙ্কু এই গ্রহের সকল প্রাণী সহ গ্রহটি ধ্বংস করে দিতে বাধ্য হন।
সপ্তম গল্প
শিরোনাম: প্রোফেসর শঙ্কু ও চী-চিং।
প্রথম প্রকাশ: সন্দেশ, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ১৯৬৫।
কাহিনী: এ গল্পে প্রফেসর শঙ্কু চীনা জাদুকর চী-চীং এর মুখোমুখি হন যে তাকে সম্মোহিত করে।
অষ্টম গল্প
শিরোনাম: প্রোফেসর শঙ্কু ও ভূত।
প্রথম প্রকাশ: শারদীয় আশ্চর্য, অক্টোবর-নভেম্বর ১৯৬৬।
কাহিনী: গিরিডিতে শঙ্কুর মতো দেখতে একটি ‘ভূতের’ আবির্ভাব হয়। নিজের আবিষ্কৃত ভূত দেখার যন্ত্র নিও-স্পেকট্রোগ্রাফের সাহায্যে শঙ্কু জানতে পারেন, এই ভূত আর কেউ নন, চারশো বছর আগে মৃত তাঁর পূর্বপুরুষ তান্ত্রিক বটুকেশ্বর শঙ্কু, যিনি শঙ্কুর বিজ্ঞান ও নিজের তন্ত্রশক্তির সহযোগে কয়েকটি অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য কিছু সময়ের জন্য পার্থিব শরীর ধারণ করতে সক্ষম হন।
নবম গল্প
শিরোনাম: প্রোফেসর শঙ্কু ও খোকা।
প্রথম প্রকাশ: সন্দেশ, জুলাই ১৯৬৭।
কাহিনী: ঝাঝার পোস্ট অফিসের কর্মচারীর সাড়ে চার বছরের ছেলেটি মাথায় চোট পেয়ে অতিলৌকিক জ্ঞান ও দৃষ্টিশক্তির অধিকারী হয়ে ওঠে। শঙ্কু ছেলেটিকে কিছুদিন নিজের কাছে এনে রাখেন। কিছুদিন পরে শঙ্কুর ল্যাবরেটরিতে সে নিজেই নিজের চিকিৎসা করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়।
Read online or Download this book
বইটির উৎসস্থল ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে, লেখকের মৃত্যুর ষাট বছর পর স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত অথবা বেনামে বা ছদ্মনামে ও মরণোত্তর প্রকাশিত রচনা বা গ্রন্থসমূহ প্রথম প্রকাশের ষাট বছর পর পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়৷ অর্থাৎ ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি ১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত বা পূর্বে মৃত লেখকের সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে৷
রচনাবলী
আপনার জন্য প্রস্তাবিত বইসমূহ