web analytics

কাব্য > মহাকাব্য > মহাশ্মশান

মহাশ্মশান কায়কোবাদ [মোহাম্মদ কাজেম আলকুরেশী] রচিত বাংলা মহাকাব্য (১৯০৪)। এর উপজীব্য ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। এ যুদ্ধ ছিল ভারতের উদীয়মান হিন্দুশক্তি মারাঠাদের সঙ্গে মুসলিমশক্তি তথা আহমদ শাহ আবদালীর নেতৃত্বে রোহিলা-অধিপতি নজীবউদ্দৌলার শক্তিপরীক্ষা; যুদ্ধে মুসলমানদের জয় হলেও কবির দৃষ্টিতে তা ছিল উভয়েরই শক্তিক্ষয় ও ধ্বংস; এজন্যই তিনি একে ‘মহাশ্মশান’ বলেছেন। যুদ্ধকাহিনীর মধ্যে অনেকগুলি প্রণয়বৃত্তান্ত স্থান পেয়েছে।
মহাশ্মশান কাব্যে মোট তিনটি খন্ড রয়েছে। প্রথম খন্ড ১৯ সর্গ, দ্বিতীয় খন্ড ২৪ সর্গ এবং তৃতীয় খন্ড ৭ সর্গে সমাপ্ত। কাব্যের প্রারম্ভে আছে ‘কবির বীণা ও কল্পনা’ এবং ‘আল্লাহু আকবর’ নামক বন্দনা অংশ। এছাড়াও ‘এব্রাহিম কার্দ্দি ও জোহরা বেগমের বাল্য জীবনের এক অধ্যায়’ শীর্ষক একটি সর্গ আছে।
মহাশ্মশান মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও নবীনচন্দ্র সেনের অনুসরণে রচিত হলেও মহাকাব্য হিসেবে তা খুব একটা সফল হয়নি। প্রকরণে ও মেজাজে কাব্যখানি বীররসের পরিবর্তে করুণরসের গীতিময় উচ্ছ্বাসে পরিণত হয়েছে। উপনিবেশিক শাসনামলে জাতীয়তাবাদী চেতনার আলোকে কবি হিন্দু-মুসলিম দুই জাতির বীরত্ব-গাথা রচনা করতে চেয়েছেন; এখানেই এ গ্রন্থের ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিহিত।
Read online or Download this book
বইটির উৎস দেশ বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ কপিরাইট আইন, ২০০০ অনুসারে, লেখকের মৃত্যুর ষাট বছর পর স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত অথবা বেনামে বা ছদ্মনামে ও মরণোত্তর প্রকাশিত রচনা বা গ্রন্থসমূহ প্রথম প্রকাশের ষাট বছর পর পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়৷ অর্থাৎ, ১ জানুয়ারি 2019 সালে, 1959 সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে।

Leave a Reply

WhatsApp chat