web analytics

কথা সাহিত্য > উপন্যাস > অভিযান > যকের ধন

কুমারের ঠাকুরদা মারা গেলে তার সিন্দুকে পাওয়া গেল একটা পুরানো পকেট-বুক আর এক মড়ার খুলি। স্বভাবতই কুমারের মা বেশ ভয় পেয়ে সেটাকে ফেলে দিলো। কিন্তু করালীবাবুর যে কিনা তার ঠাকুরদাকে এড়িয়ে চলত, কিন্তু ঠাকুরদার মৃত্যুর পর কুমারের কাছ থেকে খুলির কথা জানতে পেরে, খুলি চুরির জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
করালীর এই কাজের জন্য ফেলে দেওয়া সেই খুলি আবার খুঁজে বের করল কুমার। খুলি পাবার পর দেখল, খুলির গায়ে দুর্বোধ্য কিছু সংখ্যা লেখা। সেই লেখা বোঝবার জন্য সাহায্য নিল সেই পকেট-বুকের।
সেই পকেট বুকে অনেক হাবিজাবি লেখার ভীড়ে একটা কথা, একটা গল্প আছে খাসিয়া পাহাড়ের যকের ধন আর তার সন্ধান নিয়ে, লেখা আছে এই খুলি কার। এসব পড়ে খুব অবাক হয় কুমার, হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে। একসময় প্রাণের বন্ধু বিমলের কথা মনে পড়ে কুমারের। বিপদকে হাসিমুখে স্বাগত জানানো এই সাহসী যুবক। খুলির দুর্বোধ্য লেখা ডিকোড করতে বিমলের বিকল্প খুঁজে পেল না কুমার। তাই তার শরণাপন্ন হল।
এদিকে বিমলের বাড়ি থেকে চুরি গেল সেই মড়ার খুলি। অসুরের মত শক্তিশালী আর অসম্ভব মেধাবী বিমলের সাহায্যে উদ্ধার হল সেই খুলি। কুমার আর বিমল চলল আসামের উদ্দেশ্যে, পিছু নিয়েছে করালীর মত স্বার্থপর-ধুরন্ধর মানুষ। সব চড়াই-উৎরায় পেরিয়ে কি কুমার আর বিমল যকের ধন খুঁজে পাবে?
বিমল আর কুমারের এডভেঞ্চারের গল্প জানতে পড়ে ফেলুন বইটা।
Read online or Download this book

© ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

এই বইটির স্বত্বাধিকার লেখক বা লেখক নির্ধারিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের, অর্থাৎ বইটি পাবলিক ডোমেইনের আওতাভূক্ত নয়৷ কেননা, যে সকল বইয়ের উৎস দেশ ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে, লেখকের মৃত্যুর ষাট বছর পর স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত অথবা বেনামে বা ছদ্মনামে ও মরণোত্তর প্রকাশিত রচনা বা গ্রন্থসমূহ প্রথম প্রকাশের ষাট বছর পর পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়৷ অর্থাৎ, ১ জানুয়ারি, 2019 সাল হতে 1959 সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে। এবং 1959 সালের পরে প্রকাশিত বা মৃত লেখকের বইসমূহ পাবলিক ডোমেইনের আওতাভূক্ত হবে না৷

আইনি সতর্কতা

প্রকাশক এবং স্বত্বাধিকারীর লিখিত অনুমতি ছাড়া এই বইয়ের কোনও অংশেরই কোনওরূপ পুনরুৎপাদন বা প্রতিলিপি করা যাবে না, কোন যান্ত্রিক উপায়ের (গ্রাফিক, ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনও মাধ্যম, যেমন ফটোকপি, টেপ বা পুনরুদ্ধারের সুযোগ সম্বলিত তথ্য-সঞ্চয় করে রাখার কোনও পদ্ধতি) মাধ্যমে প্রতিলিপি করা যাবে না বা কোন ডিস্ক, টেপ, পারফোরেটেড মিডিয়া বা কোনও তথ্য সংরক্ষণের যান্ত্রিক পদ্ধতিতে পুনরুৎপাদন করা যাবে না। এই শর্ত লঙ্ঘিত হলে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

Leave a Reply

WhatsApp chat