web analytics

কথা সাহিত্য > উপন্যাস > আটটা-নটার সূর্য

অশোককুমার মুখোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক উপন্যাস ‘আটটা-ন’টার সূর্য’ এই নামকরণ সাতের দশকের তরুণ ছেলেমেয়েরা যারা সমাজব্যবস্থাকে বদল করতে চেয়েছিল তাদের প্রতি লেখকের ‘ট্রিবিউট’ বলে মনে হয়। লেখকের কথা অনুযায়ী ১৯৬৩ সাল থেকে ২০১০ সাল এই সময়কাল ধরে উপন্যাসটি লেখা হয়েছে। লেখক এটা বিশ্বাস করেন যতদিন অন্যায়, বৈষম্য আর অত্যাচার থাকবে সমাজে, তার প্রতিকারে বার বার লড়াইয়ে নামবে পাঞ্চালি, সুকান্তিদারা। অশোক তাই উপন্যাসের শেষে পাঠকদের হাজির করেন লালগড়ে। যেখানে প্রান্তিক মানুষ পুলিশি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছেন। সেখানে সাতের দশকের আটটা-নটা’র সূর্য পাঞ্চালি আজকের আটটা-ন’টার সূর্যদের সঙ্গে চলেছে মানুষের আন্দোলনের পাশে থাকতে। ওখানেই দেখা হয় সুকান্তিদার সঙ্গে। বিপ্লব শেষ হয় না। স্বপ্নও মরে না। দুজনেই স্বপ্ন দেখেন ‘একদিন সূর্যের ভোর আসবেই’। অশোককুমার মুখোপাধ্যায় এই উপন্যাসে তার মতামত বা পক্ষপাতিত্ব কখনই গোপন করতে চাননি। এমনকি উপন্যাসের শেষ লাইনটিও বলান সুকান্তিদা আর পাঞ্চালিকে দিয়ে “স্বপ্ন মরে না”। অশোককে ধন্যবাদ এইরকম একটি উপন্যাস আমাদের কাছে উপস্থিত করার জন্য। শান্তনু দে-র প্রচ্ছদ ও অলংকরণ চমৎকার। উপন্যাসের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে, কতগুলি রেখায় এমন কিছু অবয়ব এনেছেন মনে হয় যেন উপন্যাসের চরিত্রগুলিই দাঁড়িয়ে আছে। বইটি পাঠকদের কাছে আদরণীয় হবে, এটি আমাদের বিশ্বাস।
Read online or Download this book

© ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

এই বইটির স্বত্বাধিকার লেখক বা লেখক নির্ধারিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের, অর্থাৎ বইটি পাবলিক ডোমেইনের আওতাভূক্ত নয়৷ কেননা, যে সকল বইয়ের উৎস দেশ ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে, লেখকের মৃত্যুর ষাট বছর পর স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত অথবা বেনামে বা ছদ্মনামে ও মরণোত্তর প্রকাশিত রচনা বা গ্রন্থসমূহ প্রথম প্রকাশের ষাট বছর পর পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়৷ অর্থাৎ, ১ জানুয়ারি, 2019 সাল হতে 1959 সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে। এবং 1959 সালের পরে প্রকাশিত বা মৃত লেখকের বইসমূহ পাবলিক ডোমেইনের আওতাভূক্ত হবে না৷

আইনি সতর্কতা

প্রকাশক এবং স্বত্বাধিকারীর লিখিত অনুমতি ছাড়া এই বইয়ের কোনও অংশেরই কোনওরূপ পুনরুৎপাদন বা প্রতিলিপি করা যাবে না, কোন যান্ত্রিক উপায়ের (গ্রাফিক, ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনও মাধ্যম, যেমন ফটোকপি, টেপ বা পুনরুদ্ধারের সুযোগ সম্বলিত তথ্য-সঞ্চয় করে রাখার কোনও পদ্ধতি) মাধ্যমে প্রতিলিপি করা যাবে না বা কোন ডিস্ক, টেপ, পারফোরেটেড মিডিয়া বা কোনও তথ্য সংরক্ষণের যান্ত্রিক পদ্ধতিতে পুনরুৎপাদন করা যাবে না। এই শর্ত লঙ্ঘিত হলে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WhatsApp chat