চোখের চাতক » চোখের চাতক

পাতা তৈরিঅক্টোবর ১১, ২০২০; ০৩:০০
সম্পাদনাঅক্টোবর ১১, ২০২০, ২০:৩৭
দৃষ্টিপাত
চোখের চাতক প্রথম সংস্করণ ১৩৩৬ অগ্রহায়ণ (২১শে ডিসেম্বর ১৯২৯) মাসে প্রকাশিত হয়। প্রকাশক শ্রীগোপালদাস মজুমদার; ডি. এম. লাইব্রেরি, ৬১, কর্ণওয়ালিশ ষ্ট্রীট, কলিকাতা। প্রিণ্টার—শ্রীসতীশচন্দ্র রায়, সুধা প্রেস, ১৯৮/১ কর্ণওয়ালিশ ষ্ট্রীট, কলিকাতা। পৃষ্ঠা ৪+৭৮; মূল্য এক টাকা, রাজ-সংস্করণ ১৷৹। এতে ৫৩টি গান অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। কিন্তু সূচিতে আছে ৫১টি গান। গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছিল শ্রীমতি প্রতিভা সোমকে, যিনি পরবর্তীকালে প্রতিভা বসু নামে খ্যাতি লাভ করেন। বাংলা একাডেমির নজরুল রচনাবলীতে প্রথম সংস্করণ অনুসৃত হয়েছে।
আমার কোন কূলে আজ ভিড়ল তরী— ১৩৩৬ আশ্বিনের সওগাতে প্রকাশিত হয়।
কে তুমি দূরের সাথী— ১৩৩৬ শ্রাবণের কল্লোলে প্রকাশিত হয়।
আমার সাম্পান যাত্রী না লয় এবং তোমায় কূলে তুলে বন্ধু ১৩৪৩ ফাল্গুনের বুলবুলে ‘চট্টল-গীতিকা’ শিরোনামে উদ্ধৃত হয়।
ওরে মাঝি ভাই— ১৩৩৫ ফাল্গুনের, আঁধার রাতে কে গো একেলা ১৩৩৬ আষাঢ়ের এবং জনম জনম গেল আশা-পথ চাহি— ১৩৩৬ অগ্রহায়ণের সওগাতে প্রকাশিত হয়। ওরে মাঝি ভাই—রচনার স্থান ও তারিখ— চট্টগ্রাম, জানুয়ারি ১৯২৯।
পেয়ে কেন নাহি পাই হৃদয়ে মম—১৩৩৫ সালে ঢাকার জাগরণ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং জাগরণ হতে ১৩৩৬ অগ্রহায়ণের সঞ্চয়-এ উদ্ধৃত হয়।
না মিটিতে সাধ মোর নিশি পোহায়—১৩৩৬ কার্তিকের সওগাতে প্রকাশিত হয়।
পর-জনমে দেখা হবে প্রিয়—১৩৩৭ অগ্রহায়ণের উত্তরায় প্রকাশিত হয়।
কে ডাকিলে আমারে আঁখি তুলে—১৩৩৬ পৌষের এবং কার বাঁশী বাজে মুলতান-সুরে—১৩৩৬ মাঘের সওগাতে প্রকাশিত হয়।
উৎসর্গ
কল্যাণীয়া বীণাকণ্ঠী
শ্রীমতী প্রতিভা সোম
জয়যুক্তাসু।
গ্রন্থাবলী
মতামত জানান