ছায়ানট » ছায়ানট

পাতা তৈরিঅক্টোবর ৭, ২০২০; ২০:৩১
সম্পাদনাঅক্টোবর ৮, ২০২০, ১৯:০৬
দৃষ্টিপাত

ছায়ানট ১৩৩২ বঙ্গাব্দের আশ্বিন (১৯২৫ সালের সেপ্টেম্বর) মাসে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। প্রকাশক ব্রজবিহারী বর্মণ রায়, বর্মণ পাবলিশিং হাউস, ১৯৩ কর্ণওয়ালিশ ষ্ট্রিট, কলিকাতা। পৃষ্ঠা সংখ্যা ১০০, মূল্য পাঁচ সিকা। প্রথম সংস্করণে যে উৎসর্গ পত্রটি ছিল, পরবর্তী সংস্করণগুলোতে তা বর্জিত হয়।

পরে ছায়ানটের ২৬টি কবিতা পূবের হাওয়া কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত হয়। এসব কবিতায় যে পাঠভেদ আছে, তার বিবরণ পূবের হাওয়ার গ্রন্থপরিচয় পাওয়া যাবে। নতুন সংস্করণে আমরা ছায়ানটের আদি সংস্করণের পাঠ অনুসরণ করেছি।

‘বিজয়নী’ ১৩২৮ পৌষের ‘মোসলেম ভারতে’ প্রকাশিত হয়েছিল।

চৈতী হাওয়া ১৩৩২ বৈশাখের কল্লোলে বের হয়েছিল।

নিশীথ-প্রীতম ১৩২৮ মাঘে চতুর্থ বর্ষ চতুর্থ সংখ্যক বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকায় এবং অষ্টম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যক নারায়ণ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।

লক্ষ্মীছাড়া ১৩২৮ ভাদ্রের উপাসনায় বের হয়েছিল।

শেষের গান ১৩২৯ শ্রাবণের সহচরে প্রকাশিত হয়েছিল। তাতে প্রথম পঙ্‌ক্তি ছিল এরূপ—

আমারমরণ-রথের চাকার ধ্বনি ঐ রে এবার কানে আসে।

তৃতীয় স্তবকের প্রথম পঙ্‌ক্তি ছিল এরূপ—

মোর কাফনের কর্পূর-বাস ভরপুর আজ দিগ্বলয়ে,

নিরুদ্দেশের যাত্রী ১৩২৭ চৈত্রের নারায়ণে প্রকাশিত হয়েছিল। শিরোনামের নিচে বন্ধনীর মধ্যে লেখা ছিল: ‘বাউল—কাশ্মিরী খেম্‌টা’।

চিরন্তনী প্রিয়া ১৩২৮ কার্তিকের এবং বেদনা-মণি ১৩২৯ ভাদ্রের মানসী ও মর্মবাণীতে ছাপা হয়েছিল।

অনাদৃতা ১৩২৮ ভাদ্রের নারায়ণে প্রকাশিত হয়েছিল।

শায়ক-বেঁধা পাখি ১৩২৯ আষাঢ়ের বঙ্গবাণীতে প্রকাশিত হয়েছিল।

হারা-মণি ১৩২৮ সালে নারায়ণ পত্রিকার ১২-১৬ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছিল।

স্নেহ-ভীতু ১৩২৭ ফাল্গুণের মোসলেম ভারতে বের হয়েছিল। বন্ধনীর মধ্যে লেখা ছিল— ‘বাউল সুর—তাল লোফা’। সে সংখ্যাতে গানটির স্বরলিপি প্রকাশ করেন শ্রীমতি মোহিনী সেনগুপ্তা।

পলাতকা ১৩২৮ বৈশাখের ভারতীতে প্রকাশিত হয়েছিল। বন্ধনীর মধ্যে লেখা ছিল— ‘মা-মরা খোকার মৃত্যু-শয্যায় পিতা গাচ্ছেন’, এবং ‘সুর—বৈকালী মেঠো বাউল’। গানটি ভারতী হতে ১৩২৮ আশ্বিনের মোসলেম ভারতে উদ্ধৃত হয়েছিল।

মানস-বধূ ১৩২৯ শ্রাবণে প্রথম বর্ষ চতুর্থ সংখ্যক মাসিক বসুমতীতে বের হয়েছিল।

দহন-মালা ১৩২৮ বৈশাখের এবং অকরুণ প্রিয়া ১৩২৮ আশ্বিনের নারায়ণে প্রকাশিত হয়েছিল।

দূরের বন্ধু ১৩২৭ কার্তিকের মোসলেম ভারতে ‘গান’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল; বন্ধনীর মধ্যে লেখা ছিল— ‘লাউনি—বারোঁয়া—তেওরা’।

আশা ১৩২৭ পৌষের মোসলেম ভারতে গান শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল। বন্ধনীর মধ্যে লেখা ছিল—খাম্বাজ—(ঢিমা) একতালা’। সে সংখ্যাতেই গানটির স্বরলিপি প্রকাশ করেন শ্রীমতী মোহিনী সেনগুপ্তা।

মরমী প্রকাশিত হয়েছিল ১৩২৭ ফাল্গুনের মোসলেম ভারতে। ১৩৩০ অগ্রহায়ণের কল্লোলে পুনর্মূদ্রিত হয় এবং সে সংখ্যাতেই শ্রীমতী মোহিনী সেনগুপ্তা এর সুর ও স্বরলিপি প্রকাশ করেন।

প্রতিবেশিনী ১৩২৭ মাঘের সওগাতে বেদন-হারা শিরোনামে এবং ১৩২৭ চৈত্রের মোসলেম ভারতে গান শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল।

দুপুর-অভিসার ১৩২৮ শ্রাবণের ভারতীতে প্রকাশিত হয়েছিল। বন্ধনীর মধ্যে লেখা ছিল—’গৌড়-সারঙ্—দাদরা’।

‘ছল-কুমারী’ ১৩২৮ অগ্রহায়ণের উপাসনায় প্রকাশিত হয়েছিল।

‘বাদল-দিন’ ১৩২৮ আশ্বিনের এবং ‘কার বাঁশী বাজিল?’ ১৩২৮ ভাদ্রের মোসলেম ভারতে প্রকাশিত হয়েছিল।

অকেজোর গান ১৩২৮ অগ্রহায়ণের এবং স্তব্ধ বাদল ১৩২৯ শ্রাবণের প্রবাসীতে প্রকাশিত হয়েছিল।

চির-চেনা ১৩২৯ শ্রাবণের বঙ্গবাণীতে বের হয়েছিল।

অমর কানন ১৩৩২ শ্রাবণে পঞ্চম বর্ষের ৩৩শ সংখ্যক বিজলীতে বের হয়েছিল।

পূবের হাওয়া [ঝড় : পূর্ব তরঙ্গ] ১৩৩১ শ্রাবণের, আলতা-স্মৃতি ১৩৩০ পৌষের এবং রৌদ্র-দগ্ধের গান ১৩৩০ চৈত্রের কল্লোলে প্রকাশিত হয়েছিল।

উৎসর্গ

আমার শ্রেয়তম রাজলাঞ্ছিত বন্ধু

মুজফ্‌ফর আহমদ

কুতুবউদ্দীন আহমদ

করকমলে –

গ্রন্থাবলী
মতামত জানান