রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র » অমৃত-দ্বীপ

পাতা তৈরিঅক্টোবর ২৫, ২০২০; ১৬:৪১
সম্পাদনাঅক্টোবর ২৫, ২০২০, ১৬:৪৩
দৃষ্টিপাত
তৃতীয় পরিচ্ছেদ : জীবন্ত মৃতদেহ ডুবে মলুম, ডুবে মলুম, বাঁচাও!–সুন্দরবাবু আবার একবার চেঁচিয়ে উঠলেন। তিনি বেশ অনুভব করলেন, দু-খানা অস্থিচর্মসার, কিন্তু লোহার মতন কঠিন এবং বরফের মতন ঠান্ডা-কনকনে বাহু তাকে জড়িয়ে ধরে পাতালের দিকে টানছে, ক্রমাগত টানছে! দারুণ ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে তিনি তার দিকে ভালো করে তাকাতে পারলেন না বটে, ...

তৃতীয় পরিচ্ছেদ : জীবন্ত মৃতদেহ

ডুবে মলুম, ডুবে মলুম, বাঁচাও!–সুন্দরবাবু আবার একবার চেঁচিয়ে উঠলেন।

তিনি বেশ অনুভব করলেন, দু-খানা অস্থিচর্মসার, কিন্তু লোহার মতন কঠিন এবং বরফের মতন ঠান্ডা-কনকনে বাহু তাকে জড়িয়ে ধরে পাতালের দিকে টানছে, ক্রমাগত টানছে!

দারুণ ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে তিনি তার দিকে ভালো করে তাকাতে পারলেন না বটে, কিন্তু আবছা-আবছা যেটুকু দেখতে পেলেন তাই-ই হল তাঁর পক্ষে যথেষ্ট। সে হচ্ছে একটা মৃত-মানুষের জীবন্ত মৃত মানুষের মূর্তি, আর তার চোখদুটো হচ্ছে মরা মাছের মতো!

রামহরি দু-হাতে জল কেটে এগুতে-এগুতে সভয়ে দেখল, হুম বলে বিকট এক চিৎকারের সঙ্গে-সঙ্গে সুন্দরবাবু হুশ করে ডুবে গেলেন এবং সেই মুহূর্তে বাঘাও দিলে জলের তলায় ডুব।

ওদিকে বিমল, কুমার, জয়ন্ত ও মানিকও ততক্ষণে জলে ঝাঁপ দিয়ে এগিয়ে আসছে।

কিন্তু তাদের আর বেশিদূর এগিয়ে আসতে হল না হঠাৎ দেখা গেল, সুন্দরবাবু আবার ভেসে উঠে প্রাণপণে সাঁতার কেটে তীরের দিকে ফিরে আসছেন! বাঘাও আবার ভেসে উঠেছে।

রামহরি খুব কাছে ছিল। সে দেখতে পেলে, জলের ওপরে খানিকটা রক্তের দাগ এবং বাঘার মুখও রক্তাক্ত।

ব্যাপারটা বুঝে তারিফ করে সে বললে, বাহাদুর বাঘা, বাহাদুর!

কিন্তু সেই আশ্চর্য ও অসম্ভব মূর্তিটার আর কোনও পাত্তাই পাওয়া গেল না।

সকলে ডাঙার ওপরে উঠল। সুন্দরবাবু আর রামহরি ও বাঘা ছাড়া সে বিকট মূর্তিটাকে আর কেউ দেখেনি, সুতরাং আসল ব্যাপারটাও এখনও কেউ বুঝতে পারলে না।

বালির ওপরে হাত-পা ছড়িয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ে সুন্দরবাবু হাঁপাতে লাগলেন হাপরের মতো।

বিমল জিজ্ঞাসা করলে, সুন্দরবাবু, আপনাকে কি হাঙরে ধরেছিল?

কুমার বললে, না বিমল, তা হতে পারে না। হাঙরে ধরলে উনি অমন অক্ষত দেহে ফিরে আসতেন না।

বিমল বললে, হুঁ, সেকথা ঠিক। কিন্তু তবে কে ওঁকে জলের ভেতরে আক্রমণ করতে পারে?

সুন্দরবাবু বেদম হয়ে খালি হাঁপান! এখন তার একটা হুম পর্যন্ত বলবার শক্তি নেই। বাঘা গম্ভীর মুখে এসে সুন্দরবাবুর সর্বাঙ্গ শুঁকে বোধহয় পরীক্ষা করে দেখলে যে, তাঁর দেহ অটুট আছে কি না! পরীক্ষার ফল নিশ্চয়ই সন্তোষজনক হল, কারণ ঘনঘন ল্যাজ নেড়ে সে মনের আনন্দ প্রকাশ করতে লাগল।

জয়ন্ত বললে, এখানে জলের ভেতরে অক্টোপাস থাকে না তো?

রামহরি বললে, কি বললেন?

অক্টোপাস।

তাকে কি মানুষের মতন দেখতে?

মোটেই নয়। তোমাকে কতকটা বোঝাবার জন্যে বরং বলা যায়, তাকে দেখতে অনেকটা বিরাট ও অদ্ভুত মাকড়শার মতো। সমুদ্রের জলে তারা লুকিয়ে থাকে আর আটখানা পা দিয়ে জড়িয়ে শিকার ধরে মাংস-রক্ত শুষে খায়।

না বাবু, না। আপনি যে কিম্ভুতকিমাকার জানোয়ারের কথা বললেন নিশ্চয়ই সেটা ভয়ানক, কিন্তু সুন্দরবাবুকে যে জড়িয়ে ধরেছিল তাকে দেখতে মানুষের মতো।

বিমল হো-হো করে হেসে উঠে বললে, কি যে বলো রামহরি! মানুষ কি জলচর জীব? জলের ভেতর থেকে আক্রমণ করে সে কি এতক্ষণ ধরে জলের তলাতেই ডুব মেরে থাকতে পারে?

মানিক মুখ ফিরিয়ে দেখলে, সেই বিশাল হ্রদের মতো জলরাশি একেবারে স্থির হয়ে রয়েছে। তাদের জাহাজ আর লাইফবোট ছাড়া তার ওপরে আর কোনও জীবজন্তুর চিহ্নমাত্র নেই। বিমল ঠিক কথাই বলেছে। সুন্দরবাবুকে যে আক্রমণ করেছিল নিশ্চয়ই সে মানুষ নয়।

রামহরি দৃঢ়স্বরে বললে, না খোকাবাবু, আমি মিছে কথা বলিনি। সে মানুষ কি না জানি না, কিন্তু তার চেহারা মানুষের মতোই। সুন্দরবাবুর কোমর সে নীচে থেকে দু-হাতে আঁকড়ে ধরেছিল। কাচের মতো পরিষ্কার জলে তার হাত, পা, মুখ, দেহ বেশ দেখা যাচ্ছিল।

এতক্ষণ পরে সুন্দরবাবুর হাঁপ-ছাড়া হল সমাপ্ত। দু-হাতে ভর দিয়ে উঠে বসে তিনি বললেন, হুম। রামহরি কিচ্ছু ভুল বলছে না। আমাকে ধরেছিল একটা জ্যান্ত মরা-মানুষ!

জ্যান্ত মরা-মানুষ!

হ্যাঁ, আমি তাকে স্বচক্ষে দেখেছি–একেবারে আসল মড়া! আমি তার হাতের ছোঁয়া পেয়েছি–একেবারে কনকনে অস্বাভাবিক ঠান্ডা! কিন্তু সে জ্যান্ত, তার হাতের চাপে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল! মরা মাছের মতো স্থির দুই চোখে আমার দিকে সে তাকিয়ে ছিল– বাপ রে, ভাবলে এখনও গায়ে কাঁটা দেয়!

রামহরি বললে, জ্যান্ত মড়া মানেই হচ্ছে, পিশাচ। সুন্দরবাবু নিশ্চয়ই কোনও পিশাচের পাল্লায় পড়েছিলেন। ভাগ্যে আমাদের বাঘা ছিল, তাই এ-যাত্রা কোনও-গতিকে বেঁচে গেলেন! বাঘার কাছে পিশাচও জব্দ!

সুন্দরবাবু কৃতজ্ঞ-দৃষ্টিতে বাঘার দিকে তাকিয়ে বললেন, হুম্। বাঘা, আয় রে, আমার কাছে আয়! তুই যে কি রত্ন, এতদিন আমি চিনতে পারিনি। এবার থেকে আর তোকে আমি কিছু বলব না, তোকে ভালো-ভালো খাবার খেতে দেব। খাসা কুকুর, লক্ষ্মী কুকুর!

মানিক বললে, সুন্দরবাবু, আপনি নিশ্চয় মৎস্যনারী আর নাগকন্যার গল্প শুনেছেন?

সুন্দরবাবু বেশ বুঝলেন মানিকের মাথায় কোনও নতুন দুষ্টুমি বুদ্ধির উদয় হয়েছে, তার পেছনে লাগা হচ্ছে তার চিরকেলে স্বভাব। বললেন, হুঁ, শুনেছি। কি হয়েছে তা?

আমার বোধহয় কোন মৎস্য-নারী কি নাগ-কন্যা আপনাকে ধরে নিয়ে যেতে এসেছিল।

একটু গরম হয়ে সুন্দরবাবু বললেন, আমাকে ধরে নিয়ে গিয়ে সে কি করত?

বিয়ে করত। আপনাকে দেখে তার পছন্দ হয়েছিল কিনা।

একেবারে মারমুখো হয়ে সুন্দরবাবু বললেন, চোপরাও মানিক, চোপরাও! তোমার মতন তাঁদোড় আমি জীবনে আর দেখিনি, আমার হাতে একদিন তুমি মার খাবে জেনো।

বিমল গম্ভীরমুখে ভাবতে-ভাবতে বললে, জয়ন্তবাবু, আপনি কিছু আন্দাজ করতে পারছেন?

কিছু না। কেবল এইটুকু বুঝতে পারছি, সুন্দরবাবুর চোখের ভ্রম হয়েছে।

সুন্দরবাবুর আর রামহরির–দুজনেরই একসঙ্গে চোখের ভ্রম হল?

ড্রাগনের দুঃস্বপ্ন মামলার ফলেই আজ আমরা এখানে এসেছি। সেই মামলাটার কথা ভেবে দেখুন। লোকের-পর-লোক দেখতে লাগল, শূন্য-পথে ছায়ামূর্তির মতন কে উড়ে যায়। কিন্তু তারা সকলেই কি ভুল দেখেনি? হুঃ, জ্যান্ত মড়া! পিশাচ! সে আবার বাস করে জলের তলায়! বলেন কি মশাই, এসব কি বিশ্বাস করবার কথা?

বিশ্বাস আপনাকে কিছুই করতে বলছি না জয়ন্তবাবু! কিন্তু আমার মন হচ্ছে, এ ব্যাপারটার মধ্যে কোনও অলৌকিক বা অসাধারণ রহস্য থাকলেও থাকতে পারে। জীবনে অনেকবারই আমাকে আর কুমারকে এমন সব ঘটনার মধ্যে গিয়ে পড়তে হয়েছে, যা অলৌকিক ছাড়া আর কিছুই নয়। বলতে কি, অলৌকিক ব্যাপার দেখে-দেখে এখন আমাদের গা-সওয়া হয়ে গেছে। আর এটাও ভুলবেন না যে, আজ আমরা সকলেই চলেছি কোনও এক অজানা দেশে, কেবল অলৌকিক দৃশ্য দেখবারই আশায়। এখন আমরা সেই অমৃত-দ্বীপের খুব কাছে এসে পড়েছি। আজ হয়তো এইখান থেকেই অলৌকিক রহস্যের আরম্ভ হল! ওই শুনুন, জাহাজ থেকে আবার আমাদের ডাকছে, সন্ধ্যাও হয়েছে, আর এখানে নয়।

পাম জাতীয় একদল গাছের ফাঁক দিয়ে পূর্ণিমা-চাঁদের মুখ উঁকি মারছিল সকৌতুকে। জলে-স্থলে-শুন্যে সর্বত্রই জ্যোত্সার রূপলেখা পড়েছে ছড়িয়ে এবং দিনের সঙ্গে রাতের ভাব হয়েছে দেখে অন্ধকার আজ যেন ভয়ে নিজ-মূর্তি ধারণ করতে পারছে না।

সকলে একে-একে লাইফবোটে গিয়ে উঠল! হ্রদের স্বচ্ছ জল ভেদ করে চাঁদের আলো নেমে গিয়েছে নীচের দিকে। কিন্তু তাদের দৃষ্টি সেখানে যাকে খুঁজছিল তাকে দেখতে পেলে না। তবু একটা ভয়াবহ অসম্ভবের সম্ভাবনা হ্রদের নীলিমাকে করে রেখেছিল রহস্যময়।

চাঁদের বাতি নিবিয়ে দিয়ে এল অরুণ প্রভাত। মহাসাগরকে আলোময় করে সে পূর্বাকাশে এঁকে দিলে তরুণ সূর্যের রক্ততিলক। জাহাজ বেগে ছুটেছে অমৃত-দ্বীপের উদ্দেশে।

ডেকের ওপরে মর্নিং ওয়াক করতে করতে সুন্দরবাবু জাহাজের রেলিং ধরে একবার দাঁড়ালেন। এবং তৎক্ষণাৎ তার চোখদুটো উঠল বেজায় চমকে। উত্তেজিত স্বরে তিনি ডাকলেন, জয়ন্ত! মানিক! বিমলবাবু! কুমারবাবু!

সবাই এদিকে-ওদিকে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, সুন্দরবাবুর জোর-তলবে তাড়াতাড়ি সেখানে ছুটে এল।

সুন্দরবাবু বিবর্ণমুখে সমুদ্রের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করলেন।

জাহাজের পাশেই নীলজলে ভাসছে মানুষের একটা রক্তহীন সাদা মৃতদেহ। তার ভাবহীন, নিষ্পলক, বিস্ফারিত দুটো চোখ শূন্যদৃষ্টিতে চেয়ে আছে জাহাজের দিকে। তার আড়ষ্ট দেহে বিন্দুমাত্র জীবনের চিহ্ন নেই বটে, কিন্তু কী আশ্চর্য, স্রোতের বিরুদ্ধে বেগবান জাহাজের সঙ্গে সঙ্গেই সেটা ভেসে চলেছে সোঁ-সোঁ করে!

হতভম্ব মুখে জয়ন্ত বললে, আমি কি স্বপ্ন দেখছি?

বিমল কিছু বললে না, রেলিংয়ের ওপরে ঝুঁকে পড়ে আরও ভালো করে মুর্তিটাকে দেখতে লাগল।

সুন্দরবাবু তিক্তস্বরে বললেন, মানিক, ওই কি তোমার মৎস্যনারী? দেখছ, ওটা একটা বুড়ো চিনেম্যানের মড়া? ওই-ই কাল আমাকে আক্রমণ করেছিল!

মানিক বললে, নিশ্চয় ও বোম্বেটে-জাহাজের যাত্রী ছিল, কালকের টাইফুনে জলে ডুবে মারা পড়েছে।

হুম, মারা পড়েছেই বটে! তাই স্রোতের উলটোমুখে এগিয়ে চলেছে কলের জাহাজের সঙ্গে পাল্লা দিতে দিতে!

রামহরি কাঁপতে কাঁপতে বললে, সকলে রাম-নাম করো–রাম-নাম করো–রাম-নাম করো। ও পিশাচ, আমাদের রক্ত খেতে চায়!

কুমার বললে, বিমল, তাও সাধুদের কথা স্মরণ কর। যারা সিয়েন বা অমর হয়, জলে-স্থলে-শুন্যে তাদের গতি হয় অবাধ! আমরা হয়তো অমৃত-দ্বীপের কোনও সিয়েন কেই আজ চোখের সামনে স্পষ্ট দেখছি।

জয়ন্ত বললে, আজকের যুগে ও-সব আজগুবি কথা মানি কি করে?

বিমল বললে, না মেনেও তো উপায় নেই জয়ন্তবাবু! ড্রাগনের দুঃস্বপ্ন মামলার সময়েই আমি কি আপনাকে মনে করিয়ে দিইনি যে, কাশীর ত্রৈলঙ্গস্বামী কত শত বৎসর বেঁচেছিলেন তা কেউ বলতে পারে না? সময়ে সময়ে তাঁরও দেহ বৎসরের-পর-বৎসর ধরে গঙ্গাজলে ভেসে ভেসে বেড়াত? ত্রৈলঙ্গস্বামীর কথা তো পৌরাণিক কথা নয়, আধুনিক যুগেরই কথা!

বিমলবাবু, আপনার বিরুদ্ধে কিছু বলবার মতো যুক্তি খুঁজে পাচ্ছি না, আর চোখের সামনে যা স্পষ্ট দেখছি তাকে উড়িয়ে দেওয়ার শক্তিও আমার নেই। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে, আমরা সবাই একসঙ্গে পাগল হয়ে গেছি! এ-ও কি সম্ভব? বেগবান অথচ আড়ষ্ট নিশ্চেষ্ট মৃতদেহ ছোটে আধুনিক কলের জাহাজের সঙ্গে। এর পরেও আর অবিশ্বাস করব কিসে? এখন অচল পাহাড়কেও চলতে দেখলে আমি বিস্মিত হব না!

সুন্দরাবাবু বললেন, ও-সব তর্ক থো করুন মশাই, থো করুন। আমার কথা হচ্ছে, সিয়েন-রা কি মানুষের মাংস খায়? নইলে ও কাল আমাকে আক্রমণ করেছিল কেন?

বিমল বললে, বোধহয় ও আমাদের উদ্দেশ্য জানতে পেরেছে। ও তাই বাধা দিতে চায়, আমাদের আক্রমণ করতে চায়!

তাই নাকি? হুম্।–বলেই সুন্দরবাবু এক ছুটে নিজের কামরায় গিয়ে একটি বন্দুক নিয়ে ফিরে এলেন।

কুমার বললে, আপনি কি করতে চান সুন্দরবাবু?

সুন্দরবাবু বললেন, আমি দেখতে চাই, অমৃত-দ্বীপে যারা থাকে তারা কেমনধারা অমর? আমি দেখতে চাই, ওই জ্যান্ত মড়াটা বন্দুকের গরমাগরম বুলেট হজম করতে পারে কিনা?

রামহরি সভয়ে বললে, পিশাচকে ঘাঁটাবেন না বাবু, পিশাচকে ঘাঁটাবেন না। কিসে কি হয় বলা তো যায় না!

আরে, রেখে দাও তোমার পিশাচ-ফিশাচ! পুলিশের কাজই হচ্ছে যত নরপিশাচ বধ করা।–এই বলেই সুন্দরবাবু বন্দুক তুলে সেই ভাসন্ত দেহটার দিকে লক্ষ্য স্থির করলেন!

ফল কি হয় দেখবার জন্যে সকলে অপেক্ষা করতে লাগল, সাগ্রহে।

গ্রন্থাবলী
মতামত জানান