আবদুল্লাহ » একুশ

পাতা তৈরিঅক্টোবর ১৭, ২০২০; ০০:৪২
সম্পাদনাঅক্টোবর ১৭, ২০২০, ০০:৪২
দৃষ্টিপাত
১৯০৫ সালের বঙ্গবিভাগের দরুন দেশের সর্বত্র যে হুলুস্থুল পড়িয়া গিয়াছিল, তাহারই ফলে রসুলপুর হাইস্কুলেও তুমুল স্বদেশী আন্দোলনের উদ্ভাবনা হয়। ছাত্রেরা বিদেশী দ্রব্যের ব্যবহার রহিত করিল, মাথায় করিয়া দেশী কাপড় ও অন্যান্য দ্রব্য ফেরি করিতে আরম্ভ করিল এবং দল বাঁধিয়া বাজারে গিয়া বিলাতি দ্রব্যের বেচাকেনা বন্ধ করিবার জন্য ক্রেতা ও বিক্রেতা ...

১৯০৫ সালের বঙ্গবিভাগের দরুন দেশের সর্বত্র যে হুলুস্থুল পড়িয়া গিয়াছিল, তাহারই ফলে রসুলপুর হাইস্কুলেও তুমুল স্বদেশী আন্দোলনের উদ্ভাবনা হয়। ছাত্রেরা বিদেশী দ্রব্যের ব্যবহার রহিত করিল, মাথায় করিয়া দেশী কাপড় ও অন্যান্য দ্রব্য ফেরি করিতে আরম্ভ করিল এবং দল বাঁধিয়া বাজারে গিয়া বিলাতি দ্রব্যের বেচাকেনা বন্ধ করিবার জন্য ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কেই প্রণোদিত করিতে লাগিল। ইহাই লইয়া পুলিশের সহিত তাহাদের সংঘর্ষ উপস্থিত হয় এবং কয়েকজন ছাত্র ধৃত হইয়া শাস্তিও পায়। তার পর শিক্ষা বিভাগ হইতে এই ব্যাপারের তদন্ত করিবার জন্য স্বয়ং বিভাগীয় ইনস্পেক্টর রসুলপুরে আসিলেন এবং ছাত্রগণকে রাজনৈতিক আন্দোলনে যোগ দিবার জন্য প্ররোচিত করার অপরাধে হেডমাস্টার এবং তাহার কয়েকজন সহকারীকে বরখাস্ত করিলেন। সঙ্গে সঙ্গে স্কুল হইতে স্বদেশী আন্দোলনের বীজ সমূলে নষ্ট করিবার উদ্দেশ্যে উহাকে অস্থায়ীভাবে গভর্নমেন্ট স্কুলে পরিণত করিবার জন্য উপরে লিখিয়া পাঠাইলেন।

এইরূপে রসুলপুর স্কুলের গোলমাল মিটাইয়া ইনস্পেক্টর সাহেব বরিহাটী জেলা স্কুল পরিদর্শন করিতে আসিলেন। পূর্বেই সংবাদ দেওয়া ছিল; হেডমাস্টার মাস্টার-ছাত্র সকলের উপর কড়া কড়া নোটিশ জারি করিতে লাগিলেন, যেন পরিদর্শনের দিন সকলের পরিধানে পরিষ্কার কাপড় থাকে; সমস্ত শ্লেট-বহি, খাতা-পত্র প্রভৃতি আনিতে যেন কেহ না ভোলে, স্কুলঘরের ছাদ ও দেওয়ালের কোণগুলি হইতে মাকড়সার জালের রাশি বেশ করিয়া ঝাড়িয়া, দরজা জানালাগুলি ভিজা ন্যাকড়া দিয়া মুছিয়া এবং মেঝে ভালো করিয়া ধুইয়া তকতকে করিয়া রাখা হয়। কয়দিন হইতে স্কুলের চাকরবাকরগুলার খাটিতে খাটিতে প্রাণান্ত হইবার উপক্রম হইল; তথাপি তাহাদের কার্য হেডমাস্টারের মনঃপূত হইল না। দুবেলা তিনি সদলবলে আসিয়া তাহাদের উপর সচিৎকার তম্বি করিতে লাগিলেন। খাজনা অপেক্ষা বাজনাই বেশি হইতে লাগিল।

দেখিতে দেখিতে শেষের সে দিন ভয়ঙ্কর আসিয়া উপস্থিত হইল। আজ সাহেব আসিবেন; মাস্টার-ছাত্র সকলেই সকাল সকাল স্কুলে আসিয়া পড়িয়াছেন। কোনো ক্লাসে সামান্য একটু গোলমালের আভাস পাইলেই পাঁচ-সাত জন ছুটিয়া গিয়া চাপা গলায় এই, এই! চুপ চুপ! বলিয়া ধমক দিতেছেন। ছাত্রেরা কী একটা নিদারুণ বিভীষিকা আসন্ন হইতেছে মনে করিয়া, উদ্বেগে মুখ অন্ধকার করিয়া গুটিসুটি মারিয়া বসিয়া থাকিতে চেষ্টা করিতেছে।

লাইব্রেরিঘরের সম্মুখে দাঁড়াইয়া কয়েকজন মাস্টার নিম্নস্বরে আলাপ করিতেছেন– সাহেব আসিয়া কী বলিবে, কী করিবে, কাহার চাকরি থাকিবে, কাহার যাইবে–এমন সময় চাপরাসী দৌড়িয়া আসিয়া খবর দিল, –সাহেব, সাহেব! অমনি সকলে যে যার ক্লাসে গিয়া উপস্থিত হইলেন। যাহাদের ক্লাস ছিল না, তাহাদিগকে লইয়া হেডমাস্টার গেটের কাছে গিয়া দাঁড়াইলেন। অ্যাসিস্ট্যান্ট ইনস্পেক্টর, ডিপুটি-ইনস্পেক্টর, সব-ইনস্পেক্টর, ইনস্পেকটিং পণ্ডিত প্রভৃতি সামন্তবর্গ পশ্চাতে লইয়া সাহেবের শুভাগমন হইল; অমনি সকলে সপাগড়ি মস্তক আভূমি অবনত করিয়া সেলাম করিলেন। সাহেব হস্তস্থিত ক্ষুদ্র ছড়িখানির অগ্রভাগ হ্যাটের প্রান্ত পর্যন্ত উঁচু করিয়া সেলাম গ্রহণ করিলেন এবং জিজ্ঞাসা করিলেন, ওয়েল, হেডমাস্টার, হাউ আর ইউ? থ্যাংক ইউ স্যার, আই অ্যাম কোয়াইট ওয়েল বলিয়া হেডমাস্টার সাহেবের সুদীর্ঘ পদক্ষেপের পশ্চাৎ পশ্চাৎ ছুটিতে ছুটিতে তাহার কামরায় আসিয়া প্রবেশ করিলেন।

যথারীতি স্কুলের বিবরণাদি পরীক্ষা করিয়া ইনস্পেক্টর সাহেব ক্লাস পরির্দশন করিতে উঠিলেন। সামন্তবর্গকে নিম্নতর শ্রেণীগুলির পরীক্ষার ভার দিয়া সাহেব উপরকার চারিটি ক্লাস দেখিবেন বলিয়া নোটিশ দিলেন। সকলে যে যার ক্লাসে গিয়া পরীক্ষা-কার্যে ব্যাপৃত হইলেন। খোদ সাহেব প্রথম শ্রেণীতে গিয়া প্রবেশ করিলেন।

ছাত্রেরা যথাসাধ্য নীরবতার সহিত উঠিয়া দাঁড়াইল এবং শিক্ষক মহাশয় যথারীতি সেলাম করিয়া সরিয়া দাঁড়াইলেন। সাহেব কামরাটির উপর-নিচে চারিদিকে এক নজর দেখিয়া লইলেন। দেওয়ালগুলির নিচের দিকটায় স্থানে স্থানে এবং মেঝের প্রায় সর্বত্র কালির ছিটার দাগ একটু একটু দেখা যাইতেছে; ওদিকে সম্মুখের দিককার জানালার খিলানের কোণে খানিকটা ঝুল বাতাসে নড়িতেছিল। এই সকলের দিকে সাহেবদের দৃষ্টি প্রথমে পড়িয়া থাকে; তাই তিনি একটুখানি টিটকারি দিয়া কহিলেন–ওয়েল হেডমাস্টার, আপনি স্কুলঘরটি তেমন পরিষ্কার রাখিতে যত্ন করেন না বলিয়া মনে হইতেছে।

যাহার জন্য চাকরদের সঙ্গে বকাবকি করিয়া গলা ভাঙিয়া গিয়াছে, তাহারই জন্য সাহেবের কাছে অপ্রস্তুত হইতে হইল! হেডমাস্টার মহাশয়ের মনে ভয়ানক ক্রোধের উদয় হইল; তিনি সাহেবের একটু পশ্চাৎ দিকে সরিয়া আসিয়া মুখখানা ভীষণ রকম বিকৃত করিয়া, চক্ষু দিয়া অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ছুটাইয়া একবার এ-দিক ওদিক চাহিলেন। ভাগ্যে ভৃত্যদের কেহ সেখানে উপস্থিত ছিল না; থাকিলে আজ নিশ্চয়ই ভস্ম হইয়া যাইত!

প্রথম শ্রেণীর পরীক্ষা শেষ করিয়া সাহেব একে একে অপরাপর শ্রেণীর পরীক্ষা লইলেন। পরীক্ষাশেষে তিনি মত প্রকাশ করিলেন যে, ছেলেরা পড়াশুনায় মন্দ নহে, কিন্তু ছেলেদের একটা ভয়ানক বদঅভ্যাস হইয়াছে–তাহারা লিখিবার সময় কলম ঝাড়িয়া মেঝে ও দেওয়াল নষ্ট করে। ভবিষ্যতে যেন হেডমাস্টার এদিকে বিশেষ নজর রাখেন।

পরিদর্শন শেষ হইতে প্রায় চারিটা বাজিয়া গেল। সাহেব চলিয়া যাইতেছিলেন, এমন সময় একটি প্রিয়দর্শন সুবেশ ছাত্র ছুটির দরখাস্ত লইয়া তাহার সম্মুখে দাঁড়াইল। পশ্চাতে দপ্তরী দোয়াত-দান হাতে দাঁড়াইয়া ছিল; সাহেব দরখাস্তখানা হাতে লইতেই একজন শিক্ষক তাড়াতাড়ি একটা কলম তুলিয়া লইয়া দোয়াতে ডুবাইয়া একবার মেঝের উপর ঝাড়িয়া, সাহেবের দিকে বাড়াইয়া ধরিলেন। সাহেব একটু মুচকি হাসিয়া কলম লইলেন এবং দুই দিনের ছুটি মঞ্জুর করিয়া প্রস্থান করিলেন। যাইবার সময় হেডমাস্টারকে বলিয়া গেলেন, যদি কোনো শিক্ষকের বিশেষ কোনো কিছু বলিবার থাকে, তবে কল্য প্রাতে ৮টা হইতে ৯টার মধ্যে ডাকবাংলায় তাহার সঙ্গে দেখা করিতে পারেন। কে কে দেখা করিতে যাইবেন, তাহা যেন আজই সন্ধ্যার মধ্যে তাঁহাকে লিখিয়া জানানো হয়। তবে কেহ যেন অনর্থক তাহাকে বিরক্ত করিতে না যান, হেডমাস্টার সেদিকে লক্ষ্য রাখিয়া লিস্ট প্রস্তুত করিবেন!

পরদিন প্রাতে হেডমাস্টার মহাশয়ের প্রস্তুত লিস্ট অনুসারে যে তিন জন শিক্ষক সাহেবের সহিত সাক্ষাৎ করিবার অনুমতি পাইয়াছিলেন, তাঁহারা আটটার পূর্বেই আসিয়া ডাকবাংলায় উপস্থিত হইলেন। একটু পরে আবদুল্লাহও আসিয়া হাজির হইল। তাহাকে দেখিয়া একজন শিক্ষক জিজ্ঞাসা করিলেন, –আপনি যে, আপনার নাম তো হেডমাস্টার লিস্টে দেন নাই, সাহেব কি আপনার সঙ্গে দেখা করবেন? আপনি কার্ড দিবেন না, অনর্থক সাহেব বিরক্ত হবেন, আর আমাদেরও কাজ নষ্ট হবে।

আবদুল্লাহ্ কহিল, –না মশায়, ভয় নেই, আমি এখন কার্ড দিচ্ছি নে। আপনারা দেখাটেখা করে আসুন, তারপর আমি কার্ড দেব; তারপর সাহেব যা করেন!

যথাসময়ে শিক্ষকত্রয়ের একে একে ডাক হইল। দশ-পনের মিনিটের মধ্যেই তাহাদের রাজদর্শন সমাধা হইয়া গেল। সাহেব মিষ্ট কথায় তুষ্ট করিয়া তাহাদিগকে বিদায় করিলেন; তাঁহারাও হাসিমুখে ভবিষ্যৎ প্রমোশনের কথা কল্পনা করিতে করিতে যে যাহার ঘরে গেলেন। আবদুল্লাহ্ কার্ড পাঠাইয়া দিল।

একটু পরেই আবদুল্লাহর ডাক হইল। ঘরে ঢুকিবামাত্র সাহেব কহিলেন, ওয়েল মৌলবী, আপনার নাম তো হেডমাস্টার পাঠান নাই, তবে আপনি আমার সঙ্গে দেখা করিতে আসিয়াছেন কেন?

আবদুল্লাহ্ বিনীতভাবে কহিল, –স্যার, আমি নিজের কোনো কথার জন্যে আপনার সঙ্গে দেখা করতে আসি নি, এখানকার আঞ্জুমানের তরফ থেকে প্রেরিত হয়ে এসেছি…

আঞ্জুমানের কী এমন বিশেষ কথা আছে?

স্যার, স্কুলে মুসলমান ছাত্রের সংখ্যা এখন ক্রমে ক্রমে বেড়ে উঠেছে। দু বছর আগে ছিল মাত্র তেইশটি, কিন্তু বর্তমানে আটত্রিশটি হয়েছে। অথচ ফারসি পড়াবার জন্যে মৌলবী

নেই। আঞ্জুমান প্রার্থনা করেন যে, একজন মৌলবী নিযুক্ত করা হোক।

এখানকার মুসলমান ছাত্রেরা তো সব সংস্কৃত পড়ে; তবে মৌলবীর দরকার কী?

ফারসি পড়তে পায় না বলেই তারা সংস্কৃত পড়ে, স্যার। মৌলবী পেলে সকলেই ফারসি পড়বে, এবং ভবিষ্যতে ছাত্রের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আঞ্জুমান মনে করেন।

সাহেব একটু ভাবিয়া কহিলেন, –আচ্ছা, বেশ, আপনি আঞ্জুমানকে বলতে পারেন একটা Representation দিতে। আমি এ-সম্বন্ধে বিবেচনা করব। আর কোনো কথা আছে?

না স্যার, আমার আর কোনো কথা নাই।

আবদুল্লাহর ইংরেজি কথাবার্তায়, তাহার সসম্ভ্রম অথচ নিঃসঙ্কোচ আলাপে এবং তাহার আদব-কায়দায় সাহেব তাহার দিকে বেশ একটু আকৃষ্ট হইতেছিলেন। তিনি একটু ভাবিয়া কহিলেন, –এসিস্টান্ট ইনস্পেক্টরের মন্তব্যের মধ্যে দেখলাম আপনি দেশী খেলার বড় পক্ষপাতী। বলে তিনি রিমার্ক করেছেন–কেন, আপনি ফুটবল, ক্রিকেট, এগুলো পছন্দ করেন না?

আবদুল্লাহ্ কহিল, খুবই করি, স্যার। এগুলোতে শরীর, মন উভয়ের স্ফুর্তি জন্মে এবং ছাত্রদের পক্ষে একান্ত উপযোগী। কিন্তু আমাদের ফিল্ড ছোট, স্কুলের সকল ছাত্র একসঙ্গে খেলায় যোগ দিতে পারে না। সুতরাং অনেক ছাত্রই হয় বাড়িতে চুপ করে বসে থাকে, না হয় গল্প করে বেড়ায় আর খুব বেশি করে তো মাঠের একধারে বসে খেলা দেখে। তাই। আমি তাদের জন্যে কতকগুলো দেশী খেলা চালিয়েছি, যার জন্যে কোনো বড় মাঠ দরকার হয় না, আরো অনেকগুলো ছেলে একসঙ্গে খেলতে পারে, এমনকি, রাস্তার ধারে একটু জায়গা পেলেও খেলা চলে।

সাহেব জিজ্ঞাসা করিলেন, –কী কী খেলা আপনি চালিয়েছেন?

আবদুল্লাহ্ তখন ডাণ্ডা-গুলি, হাডু-ডুডু, কপাটি, গোল্লাছুট প্রভৃতি খেলার বিবরণ সাহেবকে বলিয়া বুঝাইয়া দিল। সাহেব শুনিয়া কহিলেন, –এ খেলাগুলো তো বেশ! কিন্তু তাই বলে ফুটবল, হকি, এগুলো একেবারে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়।

না স্যার, ওগুলোও ছেলেরা খুব খেলে। প্রায়ই অন্যান্য স্কুলের ছেলেদের সঙ্গে ম্যাচ হয়, তাতে আমাদেরই বেশির ভাগ জিত হয়।

সাহেব কহিলেন–খেলার দিকে আপনার এতটা ঝোঁক আছে, ভালো কথা। এসব থাকলে আর ছেলেরা বদ-খেয়ালের দিকে যাবার অবসর পায় না। আপনার চাকরি কত দিনের হল?

এই প্রায় আড়াই বৎসর হয়েছে।

কোন্ গ্রেডে আছেন?

চল্লিশ টাকার গ্রেডে।

আপনি আন্ডারগ্রাজুয়েট?

যখন চাকরিতে ঢুকি, তখন আন্ডারগ্রাজুয়েট ছিলাম; এই বৎসর বি-এ পাস করেছি। আরবিতে সেকেন্ড ক্লাস অনার পেয়েছি।

ও, বটে? বড়ই সুখের বিষয়। আশা করি, সত্বরই সার্ভিসে আপনার উন্নতি হবে।

এই বলিয়া সাহেব চুপ করিলেন। আবদুল্লাহ্ বিদায় লইবার জন্য কিঞ্চিৎ মাথা নোয়াইয়া আদাব করিতে যাইতেছিলেন, কিন্তু সাহেব আবার কহিলেন, –আমি আপনার সঙ্গে সাক্ষাতে খুশি হয়েছি, মৌলবী। আপনার যাতে একটা বিশেষ সুবিধে হয়ে যায়, তার জন্যে আমি চেষ্টা করব–তবে এখন স্পষ্ট কিছু বলতে পাচ্ছি নে।

আবদুল্লাহ্ কহিল, –আপনার মেহেরবানিই আমার পক্ষে যথেষ্ট, স্যার।

সাহেব একটু হাসিয়া কহিলেন, –অল্ রাইট, মৌলবী, গুড মর্নিং।

আবদুল্লাহ্ আবার আদাব করিয়া বিদায় হইল।

গ্রন্থাবলী
মতামত জানান