আবদুল্লাহ » নয়

পাতা তৈরিঅক্টোবর ১৬, ২০২০; ২২:০৪
সম্পাদনাঅক্টোবর ১৭, ২০২০, ০০:৩৩
দৃষ্টিপাত
সেইদিন বৈকালে আসরের নামায বাদ তসবিটি হাতে ঝুলাইতে ঝুলাইতে বাদশা মিঞা প্রতিবেশী জ্ঞাতি লাল মিঞার বাড়িতে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। তাহার পায়ে এক জোড়া বহু পুরাতন চটি, পরিধানে মার্কিনের থান-কাটা তহবন, গায়ে ঐ কাপড়েরই লম্বা কোর্তা, মাথায় চিকনিয়া চাঁদপাল্লা টুপি তসবির দানাগুলির উপর দ্রুত সঞ্চলনশীল অঙ্গুলিগুলির সহিত ওষ্ঠদ্বয় ঘন কম্পমান। এইমাত্র ...

সেইদিন বৈকালে আসরের নামায বাদ তসবিটি হাতে ঝুলাইতে ঝুলাইতে বাদশা মিঞা প্রতিবেশী জ্ঞাতি লাল মিঞার বাড়িতে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। তাহার পায়ে এক জোড়া বহু পুরাতন চটি, পরিধানে মার্কিনের থান-কাটা তহবন, গায়ে ঐ কাপড়েরই লম্বা কোর্তা, মাথায় চিকনিয়া চাঁদপাল্লা টুপি তসবির দানাগুলির উপর দ্রুত সঞ্চলনশীল অঙ্গুলিগুলির সহিত ওষ্ঠদ্বয় ঘন কম্পমান।

এইমাত্র লাল মিঞা আসরের নামায পড়িয়া গিয়াছেন–বাদশা মিঞার আগমনে তিনি বাহিরে আসিয়া সালাম-সম্ভাষণ করিলেন, বাদশা মিঞাও যথারীতি প্রতিসম্ভাষণ করিয়া তাহার সহিত বৈঠকখানায় গিয়া উঠিলেন। বৈঠকখানা ঘরটি নিরতিশয় জীর্ণ এবং আসবাবপত্রও তাহার অনুরূপ। বসিবার জন্য একখানি ভগ্নপ্রায় চৌকি—সে এত পুরাতন যে, ধুলাবালি জমিয়া জমিয়া তাহার রং একেবারে কালো হইয়া গিয়াছে। চৌকির উপর একটি শতছিদ্র ময়লা শতরঞ্জি পাতা, তাহার উপর ততোধিক ময়লা দুই-একটা তাকিয়া, উহার এক পার্শ্বে সদ্যব্যবহৃত ক্ষুদ্র জায়নামাজটি কোণ উল্টাইয়া পড়িয়া আছে। মেঝের উপর একটা গুড়গুড়ি, নইচাটিতে এত ন্যাকড়া জড়ানো হইয়াছে যে, তাহার আদিম আবরণের চিহ্নমাত্রও আর দৃষ্টিগোচর হইবার উপায় নাই। গৃহের এক কোণে একটি মেটে কলসি, কোণে একটি বহু টোল-খাওয়া নল-বাঁকা কলাইবিহীন বদনা স্বকৃত কর্দমের উপর কাত হইয়া পড়িয়া আছে।

টলটলায়মান চৌকিখানির করুণ আপত্তির দিকে নজর রাখিয়া উভয়ে সাবধানে তাহাতে উঠিয়া বসিলেন। লাল মিঞা কহিলেন, তারপর, ভাই সাহেব, খবর কী?

অঙ্গুলি এবং ওষ্ঠদ্বয়ের যুগপৎ সঞ্চালন বন্ধ করিয়া বাদশা মিঞা কহিলেন, পলাশডাঙ্গার মদন গাজীর খবর শুনেন নি?

না তো। কেন, কী হয়েছে?

মারা গেছে। বলিয়া তিনি আবার পূর্ববৎ অঙ্গুলি এবং ওষ্ঠ ঘন ঘন চালাইতে লাগিলেন।

মারা গেছে! হঠাৎ মারা গেল কিসে?

ওঃ, সে অনেক কথা। ও দিগম্বর ঘোষের অনেক টাকা ধারত কিনা, তাই দিগম্বর এসেছিল বাড়ি ক্রোক কত্তে। সে কিছুতেই দখল দেবে না, তারপর যখন জোর করে ওদের বাড়ি থেকে বার করে দিতে গেল, তখন ওর ছেলেটা গিয়ে পানিতে পল, আর তাই শুনে মদন অজ্ঞান হয়ে ধড়াস করে পড়ে গেল চৌকাঠের ওপর। তারপর মাথা ফেটে রক্তারক্তি আর কি!

তাইতে ম’ল?

হ্যাঁ, সেই যে পল, আর উঠল না…

আহা! বেচারা বুড়ো বয়সে বড় কষ্ট পেয়েই গেল!

সহানুভূতিসূচক ঘাড় নাড়া দিয়া বাদশা মিঞা কহিলেন, সত্যি, বড় কষ্টটাই পেয়েছে! এদানী তার বড়ই টানাটানি পড়েছিল কিনা?

ছেলেটা যে পানিতে পল বলে তার কী হল?

তা তো আর শুনি নি। সেও গেছে বোধহয়…

আহা! একসঙ্গে বাপ-ব্যাটায় গেল! মুসিবত যখন আসে, তখন এমনি করেই আসে।

বাদশা মিঞা অনুমোদনসূচক মস্তক সঞ্চালন করিয়া কহিলেন, তার আর সন্দেহ কি? বলিয়াই আবার তসবি চালাইতে লাগিলেন।

লাল মিঞা আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, বাড়ি ক্রোকের কী হল?

বাদশা মিঞা যেন একটু ক্ষুণ্ণ মনেই কহিলেন, আর ক্রোক কত্তে পাল্লে কই! ওদিকে মীর সাহেব যে কোন্ সন্ধানে ছিলেন তা তিনিই জানেন; ঠিক সময়মতো এসে হাজির আর কি?

তা, তিনি এসে কী কল্লেন?

টাকাটা মিটিয়ে দিলেন আর কি!

লাল মিঞা যেন আকাশ হইতে পড়িলেন। চোখ তুলিয়া কহিলেন, হ্যাঁ মীর সাহেব!

বাদশা মিঞা গম্ভীরভাবে কহিলেন, হ্যাঁ। তবে ওর ভেতর অনেক কথা আছে। আবার তাহার ওষ্ঠ ও অঙ্গুলি ক্ষিপ্রগতিতে চলিতে আরম্ভ করিল।

লাল মিঞা ঔৎসুক্যে অধীর হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, কী কথা, ভাই, কী কথা?

কিছুক্ষণ আপন মনে তসবি পড়িয়া বাদশা মিঞা কহিলেন, কথা আর কি! যেত ঘোষেদের ঘরে তার বদলে এল এখন মীরের পোর হাতে। সে ঐ ফিকিরেই দিনরাত ফেরে কিনা।

লাল মিঞা একটুখানি দীর্ঘনিশ্বাস ত্যাগ করিয়া কহিলেন, তাই তো!

বাদশা মিঞার তসবি ঘন ঘন চলিতে লাগিল। একটু পরে তিনি কহিলেন, এর ভেতরে মীরের পোর আরো মতলব আছে…

সাগ্রহে লাল মিঞা জিজ্ঞাসা করিলেন, কী মতলব, ভাই সাহেব?

বাদশা মিঞা স্বর অত্যন্ত নামাইয়া ফিসফিস করিতে করিতে কহিলেন, মদনের ব্যাটার বউকে দেখেছেন?

না।

চাষা হলে কী হয়, দেখতে বেশ!

তাই–কী?

মীরের পোর নজর পড়েছে।

চোখ কপালে তুলিয়া লাল মিঞা কহিলেন, এ্যাঁ, সত্যি নাকি?

কদ্দিন দেখিছি মীরের পো ওপারে গিয়ে সময় নেই অসময় নেই, ঘুরঘুর করে একলাটি ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর দেখুন কত লোকের বাড়ি-ঘর-দোর নিলাম হয়ে যাচ্ছে, ক্রোক হচ্চে, কারুর বেলায় কিছু না, ওই মদন গাজীর জন্যেই ওর এত পুড়ে উঠল–কেন? টাকাটা অমনি দিয়ে ফেলে, একটা খতও নিলে না! হাঃ! মীর সাহেব তেমনি তোক আর কি! আর এখন তো খুব সুবিধেই হয়ে গেল! বাপ-ব্যাটা দুজনেই মরেছে। আসল কথা, আমি যা বললাম– দেখে নেবেন।

লাল মিঞা কহিলেন, মীরের পোর ওদিকেও একটু আছে, তা তো আমি জানতাম না! এই জন্যেই আর বেথা কল্লে না, কেবল পথে পথেই ঘুরে বেড়ায়।

সমর্থন পাইয়া বাদশা মিঞা সোল্লাসে কহিলেন, ঠিক বলেছেন, ভাই! ওইটাই আসল কথা। নইলে একলা মানুষ, এত টাকা রোজগারের ফন্দি কেন? তোর বাপু কে খাবে!

ওর পয়সা কি আর কারুর ভোগে লাগবে? খোদা সে পথ যে আগেই মেরে রেখেছেন! হারামের পয়সা ও হারামেই উড়িয়ে দিয়ে যাবে।

বাদশা মিঞা গম্ভীরভাবে স্বীয় মস্তকটি বারকয়েক আঁকা দিয়া অনুমোদন জ্ঞাপন। করিলেন। কিন্তু তাহার ওষ্ঠদ্বয় ও অঙ্গুলি দ্রুতবেগে তসবি পাঠ করিয়া চলিল।

এমন সময় মসজিদ হইতে মগরেবের আযান শোনা যাইতে লাগিল। উভয়েই নীরবে আযান বাদ মোনাজাত করিলেন এবং তাড়াতাড়ি বৈঠকখানা হইতে বাহির হইয়া মসজিদের দিকে প্রস্থান করিলেন।

নামায অন্তে যখন মুসল্লিগণ মসজিদ হইতে একে একে বাহির হইতে লাগিলেন, তখনো। সন্ধ্যার অন্ধকার ভালো করিয়া ঘনায় নাই। মীর মোহসেন আলিও মসজিদে আসিয়াছিলেন, কিন্তু তিনি একটু বিলম্বে আসিয়া এক প্রান্তে স্থান লইয়াছিলেন, এবং নফল নামায শেষ করিয়া মুদ্রিত নয়নে নীরবে দোয়া দরুদ পাঠ করিতেছিলেন। বাদশা মিঞা বাহিরে আসিবার সময়। অস্পষ্ট আলোকে তাহাকে দেখিতে পাইলেন এবং লাল মিঞার গা টিপিয়া ইশারা করিয়া দেখাইলেন। উভয়ে পরস্পরের দিকে চাহিয়া একটু গূঢ়ার্থসূচক হাস্য করিলেন।

আজকার মদন গাজী সংক্রান্ত ব্যাপারটি সকলের কাছে সালঙ্কারে বর্ণনা করিবার জন্য বাদশা মিঞা উৎসুক হইয়া পড়িয়াছিলেন। তাই বাহিরে আসিয়া দুই-একজনের সম্মুখে। কথাটি উত্থাপন করিবামাত্র কী হয়েছে? কী হয়েছে? বলিতে বলিতে বহু উৎকণ্ঠ শ্রোতা তাহাকে ঘিরিয়া দাঁড়াইল। বাদশা মিঞা তাহার ইতিহাস অর্ধেক চোখের ভঙ্গিতে এবং অর্ধেক নিম্ন স্বরে বলিয়া যাইতে লাগিলেন। এদিকে মীর সাহেব মসজিদ হইতে বাহির হইয়া যখন তাহাদের সম্মুখে আসিয়া দাঁড়াইয়া সালাম-সম্ভাষণ করিলেন, তখন সকলে প্রতিসম্ভাষণ। করিয়া, কবে আসিলেন? কেমন আছেন? ইত্যাদি কুশল প্রশ্ন করিলেন; মীর সাহেবও স্মিতমুখে সকলের কুশল জিজ্ঞাসা করিয়া গৃহাভিমুখে গমন করিলেন।

বাটী আসিয়া মীর সাহেব দেখিলেন যে, তাহার বৈঠকখানার বারান্দায় কে একটা লোক বসিয়া আছে। সিঁড়িতে উঠিতে উঠিতে তিনি জিজ্ঞাসা করিলেন, কে হে, অন্ধকারে বসে?

লোকটি কহিল, আমি আলতাফ।

ওঃ, তুমি এসেছ! বেশ, বেশ, বেশ। আমি আরো ভাবছিলাম, তোমাকে ডেকে পাঠাব। ঘরে এস–ওঃ, ঘর যে অন্ধকার, –এই উলফৎ উলফৎ!

উলফৎ নামক তাহার বিহার-নিবাসী ভৃত্যটি অন্য ঘরে বসিয়া বসিয়া তামাক টানিতেছিল। মনিবের ডাকে সে তাড়াতাড়ি হুঁকা রাখিয়া গালভর ধোয়া ছাড়িতে ছাড়িতে ভারী আওয়াজে উত্তর দিল, আওতা হায়, হাজুর।

মীর সাহেব একটু বিরক্ত হইয়া কহিলেন, আরে আওতা কেয়া রে। বাত্তি লাও না! শাম হো গ্যায়া আভতক বাত্তি নেহি দিয়া ঘর মে?।

উলফৎ বাহিরে আসিয়া কহিল, উ কা হায় মেজ পর! তাহার পর ঘর অন্ধকার দেখিয়া অপ্রস্তুত হইয়া বলিয়া উঠিল, আরে বুত গইল! হম্‌ তো হারকেল জ্বালকে মে হী পর ধর দিয়া রাহা।

মীর সাহেব একটু হাসিয়া কহিলেন, হ, হাঁ, বুত তো গইল, আভ ফের জ্বালা দেই তো আচ্ছা ভইল।

মনিব তাহার ভাষা লইয়া মধ্যে মধ্যে এইরূপ পরিহাস করিতেন, তাহাতে উফৎ শুধু একটু হাসিত, কখনো বেজার হইত না। সেও একটুখানি হাসিয়া কহিল, আবহী জ্বালা দেতা হাজুর।

আলো জ্বালা হইলে মীর সাহেব আলতাফকে সঙ্গে লইয়া ভিতরে গিয়া বসিলেন এবং জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমাদের কলেজ খোলে নি?

আলতাফ কহিলেন, জি না, এই সোমবারে খুলবে। মীর সাহেব কহিলেন, তবু ভালো! আমার এবার বাড়ি ফিরতে দেরি হয়ে গেল, তাই ভাবছিলাম বুঝি এদ্দিন কলেজ খুলে গেছে। যা হোক বেশি দেরিও তো আর নেই। আজ হল গিয়ে বিষবার, মধ্যে আর তিন দিন আছে। কবে রওয়ানা হবে?

আমার তো ইচ্ছে কাল বাদজুমা রওয়ানা হই; কিন্তু বাপজানের যে মত হয় না।

কেন?

তিনি আমাকে তো আর পড়তেই দিতে চান না। বলেন, এনট্রেন্স পাস করেছিস ঐ ঢের হয়েছে, এখন একটা দারোগাগিরি-টিরির চেষ্টা দেখ।

তা তুমি কী ঠিক করেছ?

আমার তো ইচ্ছে এফ.এ টা পাস করি। এঞ্জামিনের তো আর বেশি দেরি নেই, এই কটা মাস…

মীর সাহেব বাধা দিয়া কহিলেন, এফ.এ টা যদি পাস কত্তে পার তবে কী করবে?

আলতাফ একটু আমতা আমতা করিয়া কহিল, বি. এ. পড়তে পাল্লে তো ভালোই হত, তবে…

তবে আবার কী, তুমি যদি পড়তে চাও, তবে আমি যদ্দিন বেঁচে আছি, তোমাকে যেমন খরচ দিচ্ছি, তেমনই দেব। সেজন্যে কিছু ভেবো না।

বাপজান যে বড় গোলমাল করেন। ঐ তারাপদ বাবুর ছেলে সুরেন দারোগা হয়েছে কিনা, আর উপায়ও কচ্ছে খুব, তাই দেখে তিনি আমাকেও ঐ কাজে ঢুকবার জন্যে কেবলই জেদ কচ্ছেন।

আচ্ছা বাদশা মিঞাকে আমি ভালো করে বুঝিয়ে দেবখন। খরচপত্রের জন্যে তো আর এখন আটকাচ্ছে না, কেন মিছেমিছি পড়া বন্ধ করে ভবিষ্যৎ মাটি করা! আর দারোগগিরি ফারোগিরি ও-সব কাজে যেয়ো না–ওতে গেলে মানুষ একেবারে মাটি হয়ে যায়।

জি না, আমার তো ইচ্ছে না, কেবল বাপজানই জেদ করেন কিনা, তাই বলছিলাম।

আচ্ছা আমি তাঁকে কালই বলব। আমার আবার একটু পীরগঞ্জে যাবার ইচ্ছে ছিল। মনে করেছিলাম, কালই রওয়ানা হব। থাক একটা দিন পরে গেলেও ক্ষেতি হবে না। তা। তুমি এক কাজ কর না কেন, পরশু আমার নৌকাতেই চল তোমাকে বরিহাটীতে নামিয়ে দিয়ে যাব।

আলতাফ তাতেই সম্মত হইয়া কহিল, জি আচ্ছা, পরশু আপনার সঙ্গেই যাব।

মীর সাহেব একটু চিন্তা করিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, আহমদ আলি-টালি ওদের কোনো খবর পেয়েছ?

জি না, আহ্মদ আলির কোনো খবর পাই নি, তবে আবদুল বারীর পত্র পেয়েছি। সেও আজ-কাল রওয়ানা হবে।

দু মাস থেকে ওদের কারুর টাকা দেওয়া হয় নি। তা কলকেতায় গেলে পরে পাঠিয়ে দিলে চলবে না?

তা চলতে পারে। কিন্তু আমার পথ-খরচের টাকা নেই–বাপজান বললেন, তাঁর হাত বড় টানাটানি…

ওঃ, আচ্ছা আমি গোটা পাঁচেক টাকা দেব–পরশুই দেব–একসঙ্গেই তো যাওয়া হবে। আর তোমরা কলকেতায় গিয়ে এই হপ্তাখানেকের মধ্যেই টাকা পাবে। ওদেরও বলে দিও।

জি আচ্ছা। তবে এখন উঠি, রাত হল…

আচ্ছা এস।

আলতাফ কিঞ্চিৎ মাথা নোয়াইয়া আদাব করিয়া বিদায় লইল।

গ্রন্থাবলী
মতামত জানান