আবদুল্লাহ » আট

পাতা তৈরিঅক্টোবর ১৬, ২০২০; ২১:৫৯
সম্পাদনাঅক্টোবর ১৭, ২০২০, ০০:৩৩
দৃষ্টিপাত
রসুলপুর গ্রামখানি বেশ বর্ধিষ্ণু। তথায় বহুসংখ্যক উচ্চ শ্রেণীর হিন্দু এবং মুসলমান রইস্ বাস করেন। হিন্দুগণ প্রায় সকলেই সম্পন্ন গৃহস্থ কিন্তু মুসলমান রইসগণের অবস্থা ভালো নহে। তাহাদের অনেকেরই পৈতৃক সম্পত্তি, এমনকি, কাহারো কাহারো বসতবাটীখানি পর্যন্ত রসুলপুরেরই হিন্দু মহাজনদিগের নিকট ঋণদায়ে আবদ্ধ; তথাপি তাহারা সাংসারিক উন্নতির জন্য কোনো প্রকার উদ্যোগ করিবার আবশ্যকতা ...

রসুলপুর গ্রামখানি বেশ বর্ধিষ্ণু। তথায় বহুসংখ্যক উচ্চ শ্রেণীর হিন্দু এবং মুসলমান রইস্ বাস করেন। হিন্দুগণ প্রায় সকলেই সম্পন্ন গৃহস্থ কিন্তু মুসলমান রইসগণের অবস্থা ভালো নহে। তাহাদের অনেকেরই পৈতৃক সম্পত্তি, এমনকি, কাহারো কাহারো বসতবাটীখানি পর্যন্ত রসুলপুরেরই হিন্দু মহাজনদিগের নিকট ঋণদায়ে আবদ্ধ; তথাপি তাহারা সাংসারিক উন্নতির জন্য কোনো প্রকার উদ্যোগ করিবার আবশ্যকতা বোধ করেন না। একমাত্র খোদা ভরসা করিয়াই খোশ মেজাজে বহাল তবিয়তে দিন গুজরান করিয়া থাকেন।

এতদ্ভিন্ন পলাশডাঙ্গা প্রভৃতি নিকটস্থ গ্রামগুলিতে অনেক মুসলমান কৃষক বাস করে। গ্রাম সন্নিহিত বিল এবং ক্ষেত্রগুলি প্রচুর উৎপাদনশীল হইলেও এই সকল হতভাগ্য কৃষকের অবস্থা সচ্ছল নহে। তাহারা যাহা কিছু উপার্জন করে, তাহার অধিকাংশই মহাজনেরা গ্রাস করিয়া বসে; অবশিষ্ট যাহা থাকে, তাহাতে কায়ক্লেশে বৎসরের অর্ধেককাল চালাইয়া বাকি অর্ধেকের খাওয়া-পরার জন্য ইহারা আবার মহাজনের হাতে-পায়ে ধরিতে যায়।

আবদুল্লাহর ফুফা মীর মোহূসেন আলি রসুলপুর গ্রামেরই একজন মধ্যবিত্ত রই। তিনি পৈতৃক সম্পত্তি যাহা পাইয়াছিলেন, তাহা সামান্য হইলেও পাটের করবারে এবং মহাজনিতে বেশ দু পয়সা উপার্জন করিয়া এখানে এ অঞ্চলের মধ্যে একজন ধনী লোক বলিয়া পরিচিত হইয়া উঠিয়াছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মীর সাহেব গৃহশূন্য এবং নিঃসন্তান। লোকে বলিত স্বামী সুদ খান বলিয়া পীরের মেয়ে মনের দুঃখে সংসার ছাড়িয়া গিয়াছেন এবং সুদের গোনায় আল্লাহতালা মীর সাহেবকে সংসারের সুখ হইতে বঞ্চিত করিয়া রাখিয়াছেন।

কিন্তু মহাজনি কারবারে মীর সাহেব নিজগ্রাম অঞ্চলে বড় একটা সুবিধা করিয়া উঠিতে পারেন নাই। তাহার খাতকের প্রায় সকলেই ভিন্ন গ্রামের এবং তাহাদের অধিকাংশই ব্যবসায়ী মুসলমান। মীর সাহেবের নিকট অনেক কম সুদে টাকা পাইত বলিয়া তাহারা ফি মৌসুমে তাহার নিকট হইতে আবশ্যকমতো টাকা ধার লইত এবং মৌসুমে যথেষ্ট লাভ করিয়া মীর সাহেবের কড়া গণ্ডা বুঝাইয়া দিয়া যাইত।

মধ্যবিত্ত মুসলমান রইস্ যাহাদের একটু আধটু ভূ-সম্পত্তি আছে এবং দরিদ্র মুসলমান কৃষক, গ্রাম্য মহাজনের পক্ষে এই দুই শ্রেণীর লোকের মধ্যে টাকা খাটাইবার যেমন সুবিধা, এমন আর কোথাও নাই। রসুলপুর অঞ্চলে এই শ্রেণীর লোক যথেষ্ট থাকাতে হিন্দু মহাজনেরা বেশ ফাঁপিয়া উঠিতেছেন; কিন্তু তাহার সুদের হার অতি সামান্য হইলেও মীর সাহেব তাহাদের মধ্যে দুইটি কারণে ব্যবসায় জমাইতে পারেন নাই। প্রথমত, রইসগণের প্রায় সকলেই তাহার জ্ঞাতি-কুটুম্ব; সুতরাং তাহার পরম হিতৈষী। কাজেই হিন্দু মহাজনদিগের নিকট হইতে উচ্চ হারের সুদে ঋণ গ্রহণ করিয়া জেরবার হইতেছেন, তথাপি মীর সাহেবকে মহাজনি কারবারে প্রশ্রয় দিয়া তাহাকে জাহান্নামে পাঠাইতে তাহাদের প্রবৃত্তি হইতেছে না। দ্বিতীয়ত, পূর্বপুরুষগণের মনিব বলিয়া কৃষকমহলে রইগণের আজ পর্যন্ত যে প্রভুত্বটুকু টিকিয়া ছিল, তাহারই বলে তাহারা তাহাদিগকে বুঝাইয়া দিয়াছেন যে, মুসলমান হইয়া যে ব্যক্তি সুদ খায়, সে জাহান্নামী এবং সে জাহান্নামীর সঙ্গে মুসলমান হইয়া যে কারবার করে সেও জাহান্নামে যায়। এই জন্যেই তো সুদখোরের বাড়িতে খাওয়া অথবা তাহাকে বাড়িতে দাওৎ করিয়া খাওয়ানো মস্ত গোনার কাজ। কিন্তু হিন্দুদের যখন ধর্মে বাধে না, তখন সুদ খাইলে তাহাদের কোনো পাপ নাই, সুতরাং লাচারী হালেতে তাহাদের সঙ্গে কারবারেও কোনো দোষ হইতে পারে না।

পাঁচজন আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে একত্রে লোক দুর্দশাগ্রস্ত হইয়া পড়ে, এবং সেই অবস্থায়। কয়েক পুরুষ কাটাইয়া দেয়, তখন তাহাদের কেমন একটা দুর্দশার নেশা লাগিয়া যায়– কিছুতেই সে নেশা ছুটিতে চাহে না। ক্রমে মনে এবং দেহে একটা অবসাদ আসিয়া পড়ে, যাহার গতিকে সংসারের দুঃখ-কষ্ট তাহাদের ধাতে বেশ সহিয়া যায়। ইহা অপেক্ষা অধিক। সুখে সংসারে বাস করা সম্ভব যে হইতে পারে, এরূপ কল্পনা তাহাদের মনেও আসে না, কেননা খোদা না দিলে আসিবে কোথা হইতে? এরূপ অবস্থায় খোদার উপর একপ্রকার সম্পূর্ণ নিশ্চেষ্ট নির্ভরের মাত্রা কিছু বেশি হইয়া পড়ে, এবং ইহকালের সচ্ছলতার বিনিময়ে। পরকালে বেহেশতের মেওয়া-জাতের ওপর একচেটিয়া অধিকার পাইবার আশায় ধর্মের বাহ্যিক আচার-নিষ্ঠার বাড়াবাড়িও দেখা গিয়া থাকে।

কিন্তু অপরের সুখস্বচ্ছন্দতার প্রতি বাহ্যত ঔদাসীন্য দেখালেও যে ব্যক্তি অক্ষমতা এবং উদ্যমবিহীনতার দরুন নিজের দুর্দশা ঘুচাইতে পারে না, তাহার আচার-নিষ্ঠার অন্তরালেও অপেক্ষাকৃত অবস্থাপন্ন লোকের প্রতি একটা ঈর্ষার অস্বচ্ছন্দতা তাহার মনের কোণে সঙ্গোপনে। বিরাজ করিতে থাকিবেই, যাহাদের ওপর ব্যক্তিগত অথবা সামাজিকভাবে কোনো প্রকার শাসন-তাড়না চালাইবার সুযোগ বা সম্ভাবনা না থাকে, তাহাদের ওপর সে ঈর্ষা প্রকাশ তো পায়-ই না বরং উহা আবশ্যকমতো নীচ তোষামোদেও পরিণত হইতে পারে; কিন্তু জ্ঞাতি কুটুম্ব প্রভৃতি যাহাদের উপর একটু আধটু ক্ষমতা চলে, তাহাদের মধ্যে যখন কেহ আত্মোন্নতি করিয়া স্বসমাজে সকলের ওপর টেক্কা মারিবার যোগাড় করিয়া তোলে, তখন সেই গুপ্ত ঈর্ষা তাহার সকল প্রচেষ্টাকে নষ্ট করিয়া দিবার জন্য বিকট মূর্তিতে সকলের মনে স্বপ্রকাশ করিয়া বসে। কাজেই যাহারা দল বাধিয়া একবার মজিয়াছে, শত চেষ্টা করিলেও তাহাদের উদ্ধার পাওয়া কঠিন। কয়েকজন লোক জলে ডুবিলে পরস্পর পরস্পরকে জলের ভিতর টানিয়া রাখিতে চেষ্টা করিয়া থাকে।

রসুলপুরের রইগণও কয়েক পুরুষ ধরিয়া দল বাধিয়া ক্রমাগত মজিয়া আসিতেছেন। ইতোমধ্যে হঠাৎ মীর মোহসেন আলি নিজের চেষ্টায় যখন অবস্থা ফিরাইয়া ফেলিলেন, তখন আর কাহারো পক্ষে তাহাকে সুনজরে দেখিবার সম্ভাবনা রহিল না। তিনি সকলের অপ্রিয় হইয়া উঠিলেন–বিশেষত, তিনি যখন সুদ খাইতে আরম্ভ করিলেন তখন সকলে তাহাকে মনে মনে ঘৃণা করিতে লাগিলেন। কিন্তু প্রকাশ্যে কেহ তাহাকে অবজ্ঞা করিতে সাহস পাইতেন না, বরং মৌখিক শিষ্টাচারের একটু বাড়াবাড়িই দেখাইতেন। তাহা হইলেও, সামাজিকভাবে তাহার সহিত মেলামেশা সকলে যথাসম্ভব এড়াইয়া চলিতেন।

এদিকে মীর সাহেবের ন্যায় গৃহশূন্য নিঃসন্তানের পক্ষে তো গ্রামের ওপর অথবা বাড়ির ওপর কোনো মায়ার বন্ধন ছিল না; তাই তিনি বৎসরের অধিকাংশ সময় বিদেশে বিদেশে ঘুরিয়া বেড়াইতেন। ইহাতে তাহার পাটের কারবারেরও সুবিধা হইত এবং বিদেশে লোকের কাছে খাতিরও পাইতেন বেশ। সুতরাং স্বগ্রাম অপেক্ষা বিদেশই তাহার পক্ষে অধিক বাঞ্ছনীয় হইয়া উঠিয়াছিল। মাসেক দু মাস বিদেশে ঘুরিবার পর তিনি বাটী আসিয়া দশ-পনের দিন থাকিতেন, আবার বাহির হইয়া পড়িতেন।

এইরূপে একবার মাস দুই বিদেশ ভ্রমণের পর বাটী আসিয়া মীর সাহেব আবদুল্লাহর একখানি পত্র পাইয়া অবগত হইলেন যে, তাহার সম্বন্ধী খোন্দকার ওলিউল্লাহ্ পরলোকগমন করিয়াছেন। পত্রখানিতে প্রায় এক মাস পূর্বের তারিখ ছিল–মীর সাহেব ভাবিতে লাগিলেন, এতদিন আবদুল্লাহৃদের কোনো খবর না লওয়াটা বড়ই অন্যায় হইয়া গিয়াছে। যদিও আবদুল্লাহর পিতামাতা সুদখোর বলিয়া মীর সাহেবের ওপর নারাজ ছিলেন এবং স্ত্রীর মৃত্যুর পর হইতে মীর সাহেবের সহিত শ্বশুরালয়ের সম্বন্ধ একরূপ উঠিয়া গিয়াছিল, তথাপি তিনি আবদুল্লাহকে অতিশয়। স্নেহ করিতেন এবং কলিকাতায় গেলে একবার তাহার সহিত সাক্ষাৎ না করিয়া ফিরিতেন না। অবশ্য আবদুল্লাহর সহিত তাহার এই ঘনিষ্ঠতার বিষয় তাহার পিতামাতার নিকট হইতে গোপন রাখা হইয়াছিল; এবং যদিও এক্ষণে মীর সাহেবের গায়ে পড়িয়া খয়েরখাহী দেখাইতে যাওয়াটা আবদুল্লাহর মাতা পছন্দ নাও করিতে পারেন, তথাপি আবদুল্লাহর একটা সংবাদ না পাওয়া পর্যন্ত তিনি মন স্থির করিতে পারিতেছেন না। চিঠি তো সে বাড়ি হইতে প্রায় এক মাস পূর্বে লিখিয়াছে; কিন্তু এখন সে কোথায় আছে, তাহা কী করিয়া জানা যায়? এ অবস্থায় একবার পীরগঞ্জেও যাওয়া কর্তব্য কি না মীর সাহেব তাহাই চিন্তা করিতে লাগিলেন।

বৈঠকখানার বারান্দায় বসিয়া তিনি মনে মনে এইরূপ আলোচনা করিতেছেন, এমন সময় দেখিতে পাইলেন, একটা লোক ভিজা কাপড়ে হাঁপাইতে হাঁপাইতে তাহারই দিকে আসিতেছে। একটু কাছে আসিলেই তিনি লোকটিকে চিনিতে পারিলেন এবং তৎক্ষণাৎ কী, কী সাদেক গাজী, খবর কী? বলিতে বলিতে উঠিয়া দাঁড়াইলেন। সাদেক একেবারে ছুটিয়া আসিয়া তাহার পা দুটি জড়াইয়া ধরিল, এবং রুদ্ধ নিশ্বাসে কহিতে লাগিল, দোহাই হুজুর, আমাগোরে রক্ষে করেন…

অত্যন্ত আশ্চর্যান্বিত হইয়া মীর সাহেব তাহাকে হাত ধরিয়া উঠাইতে গেলেন, কিন্তু সে কিছুতেই তাহার পা ছাড়িয়া উঠিতে চাহিল না, কেবলই বলিতে লাগিল–আমাগোরে বাঁচান, হুজুর, আমাগোরে বাঁচান।

আরে কী হয়েছে, তাই বল না! আমার সাধ্যে যা থাকে তা করব বলছি–এখন উঠে স্থির হয়ে বসে কথাটা কী বল তো শুনি!

এই কথায় একটু আশ্বস্ত হইয়া সাদেক পা ছাড়িয়া উঠিয়া মাটির উপর বসিতে বসিতে কহিল, আর কি থির হবার যো আছে, হুজুর! দিগম্বর ঘোষ মশায় আমাগোর সব খায়ে বইছেন, এখন বাড়িখানও কোরক দে আজ আসে বাশগাড়ি করতিছেন। আমাগোর কী উপায় হবে, হুজুর! আমাগোর বাঁচান কর্তা। আপনি না হলি আর কেউ বাঁচাতি পারবে না!…

মীর সাহেব তাহাকে বাধা দিয়া কহিলেন, আরে ছি ছি! অমন কথা বলে না সাদেক, বাঁচানেওয়ালা খোদা!–আচ্ছা, কত টাকার দেনা ছিল?

সাদেক কহিল, খতে ল্যাহা ছিল দুইশো তিন কুড়ি, এখন সুদ আর খরচ-খরচা নে মহাজনের দাবি হইছে পাঁশশয় বাইশ টাকা কয় আনা যেনি!…আপনি যদি এট্টু দয়া না করেন মীর সাহেব, তবে আমরা এবার এক্কাল পথে দাঁড়াই…

মীর সাহেব কহিলেন, আচ্ছা তুমি এগোও, –আমি টাকা নিয়ে আসছি।

না, হুজুর, আমি আপনার সাথেই যাব–গাং সাঁতরে আইছি, তাড়াতাড়ি লা পালাম না, কারে কিছু কই নি, পাছে দেরি হয়ে যায়…।

আচ্ছা আচ্ছা, চল, আমি এক্ষুনি টাকা নিয়ে আসছি। বলিয়া মীর সাহেব অন্দরে চলিয়া গেলেন, এবং একটু পরেই কাপড়চোপড় পরিয়া আবশ্যকমতো টাকা লইয়া বাহিরে আসিলেন।

মীর সাহেবের বাড়ির পশ্চাতে বাগানের পরেই তাঁহাদের ঘাট; ঘাটে একখানি ডিঙ্গি নৌকা বাঁধা ছিল, উভয়ে গিয়া তাহাতে উঠিলেন। সাদেক বৈঠা লইয়া বসিলে মীর সাহেব জিজ্ঞাসা করিলেন, আচ্ছা সাদেক, তোমাদের এমন দশা হয়েছে, তা এদ্দিন আমাকে একবারও বল নি তো!

সাদেক কহিতে লাগিল, কী করব হুজুর, বাপজী আপনার কাছে আসতি সাওস করেন না। ওই বাদশা মিঞাই তো যত নষ্টের গোড়া–তানিই বাপজীরে আপনার কাছে আসতি মানা করেন। তানারা সাত-পুর্ষে মুনিব; বাপজী কন, কেমন করে তানাগোর কথা ঠেলি!…

আমি তো সেই কালেই কইছিলাম বাপজীরে যে, ও ঘোষের পোর কাছে যাবেন না– ওর যে সুদির খাই বাপই রে! তা, বাদশা মিঞা পরামিশ্যে দে বাজীরে সেই ঘোষের পোর কাছেই নে গেল–তা নলি কি আজ আমাগোর ভিটেমাটি উচ্ছন্ন যায় হুজুর!

বলিতে বলিতে ডিঙ্গি আসিয়া ওপাড়ে ভিড়িল। মীর সাহেব চট করিয়া নামিয়া মদন গাজীর বাড়ির দিকে চলিলেন। সাদেক তাড়াতাড়ি নৌকাখানি বাধিয়া রাখিয়া পশ্চাৎ পশ্চাৎ দৌড়াইয়া গেল।

গ্রন্থাবলী
মতামত জানান