Skip to content
এটি একটি উন্মুক্ত গ্রন্থাগার
এখানে বর্তমানে ২৩ জন লেখকের ১৭৪টি বই রয়েছে যার পাতার সংখ্যা ৪,০৬২টি।

আজ সোমবার,

১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল,

৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,

১৫ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি,

এখন বাংলাদেশ মান সময় সকাল ৭:১৯ মিনিট

আপডেট

  • ইব্‌ন কাসীর

    পরিচয়

    তাঁর নাম ইসমাঈল ইব্‌ন উমর ইব্‌ন কাসীর ইব্‌ন দূ ইব্‌ন কাসীর ইব্‌ন দিরা আল-কুরায়শী। তাঁর খান্দানটি কুরায়শের বনী হাসালা শাখা গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। সন্ত্রান্ত গোত্ররূপে এ গোত্রটির খ্যাতি রয়েছে। ...

  • ভূমিকা

    রাজনৈতিক অবস্থা

    ভূমিকা

    হিজরী ৭ম শতাব্দীতে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে অনেক বিপ্লবাত্মক ঘটনা সংঘটিত হয়। ৬৫৬ হিজরী/১২৫৮ খৃঃ সনে তাতারীরা বাগদাদ আক্রমণ করে এবং প্রায় বিশ লাখ মুসলমানকে হত্যা করে। তাতার ...

  • প্রথম খণ্ড

    গ্রন্থ

    আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া

    খণ্ড

    প্রথম খণ্ড

    মূল

    আবুল ফিদা হাফিজ ইব্‌ন কাসীর আদ-দামেশ্‌কী (র)

    অনুবাদ

    মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ এমদাদ উদ্দীন

    মাওলানা মুহাম্মদ মুহিউদ্দীন

    মাওলানা বোরহান উদ্দীন

    মাওলানা মো. ...

  • আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া

    আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া (আদি থেকে অন্ত) – ইমাম ইবনে কাসীরের সুপ্রসিদ্ধ কিতাব। এটিকে ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য দলিল হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই কিতাবটির অন্যন্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে ...

  • অদ্বৈত মল্লবর্মণ

    জন্ম

    ১লা জানুয়ারি, ১৯১৪। ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষার গেজেট অনুসারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অদূরে তিতাস নদী-তীরবর্তী গোকর্ণঘাট গ্রাম।

    পিতা

    অধরচন্দ্র মল্লবর্মণ; মাইনর স্কুলে ভর্তি হওয়ার পূর্বেই পিতা-মাতা উভয়ের মৃত্যু।

    শিক্ষা

    ১৯৩৩ ...

নির্বাচিত প্রবন্ধ

  • লর্ড রিপণের উৎসবের জমা-খরচ

    এ উৎসবে আমরা পাইলাম কি? হারাইলাম কি? যে সঞ্চয়ী লোক, সে সকল সময়ে আপনার জমা-খরচটা খতাইয়া দেখে। আমাদের জাতীয় জমা-খরচটার মধ্যে মধ্যে কৈফিয়ৎ কাটিয়া দেখা ভাল। আগে দেখা যাউক, আমাদের লাভের অঙ্কে কি?

    প্রথমতঃ, আমরা এ উৎসবে লাভ করিয়াছি রাজভক্তি। অনেকে বলিবেন, আমাদের রাজভক্তি ছিল বলিয়াই, উৎসব করিয়াছি। সকলেই বুঝেন যে, ঠিক তাহা নহে; অন্য কারণে এ উৎসব উপস্থিত হইয়াছে। উৎসবেই আমাদের রাজভক্তি বাড়িয়াছে। রাজভক্তি বড় বাঞ্ছনীয়। রাজভক্তি জাতীয় উন্নতির একটি গুরুতর কারণ। রাজভক্তির জন্য ইহা প্রয়োজনীয় নহে যে, রাজা স্বয়ং একটা ভক্তির যোগ্য মনুষ্য হইবেন। ইংলণ্ডের এলিজাবেথ্ বা প্রুষিয়ার দ্বিতীয় ফ্রেড্রিক, এতদুভয়ের কেহই ভক্তির যোগ্য ছিলেন না। এরূপ নৃশংস-চরিত্র নরনারী পৃথিবীতে দুর্লভ। কিন্তু এলিজাবেথের প্রতি জাতীয় রাজভক্তি ইংলণ্ডের উন্নতির একটা কারণ। ফ্রেড্রিকের প্রতি জাতীয় রাজভক্তি প্রুষিয়ার উন্নতির একটি কারণ।

    আমাদের দ্বিতীয় লাভ, জাতীয় ঐক্য। এই বোধহয়, ঐতিহাসিক কালে প্রথম সমস্ত ভারতবর্ষ এক হইয়া একটা কাজ করিল। আমরা এই প্রথম বুঝিলাম যে, আমাদের মধ্যে ঐক্য ঘটিতে পারে। আমরা এই প্রথম বুঝিলাম, ভারতবর্ষীয়েরা একজাতি।

    তৃতীয় লাভ, রাজকীয় শক্তি। রাজকীয় শক্তি কতকটা ঐক্যের ফল বটে, কিন্তু ঐক্য থাকিলেই যে শক্তি থাকে, এমত নহে। সকল সমাজেই, সমাজই রাজা। রাজা সমাজ শাসন করেন বটে, কিন্তু সে সমাজের প্রতিনিধিস্বরূপ। সমাজ রাজার উপর আবার রাজা। কেবল সমাজ রাজার দণ্ড পুরস্কারের কর্তা। যে সমাজ রাজাকে দণ্ডিত বা পুরস্কৃত করিয়া থাকে, সেই সমাজেরই রাজনৈতিক শক্তি আছে। প্রকৃত রাজদণ্ড সেই সমাজেরই হাতে। আজ, লর্ড রিপণকে সুশাসনের জন্য পুরস্কৃত করিয়া ভারতবর্ষীয় সমাজ সেই রাজদণ্ড স্বহস্তে গ্রহণ করিয়াছে। ইহাই স্বাধীনতা।

    আমাদের চতুর্থ লাভ,—এটুকু কেবল বাঙ্গালার লাভ;—সমাজের কর্তৃত্ব ভূম্যাধিকারীদের হাত হইতে এই প্রথম মধ্যবিত্ত লোকের হাতে গেল। অর্থাৎ কর্তৃত্ব, ধনের হাত ...

Scroll Up